Russia-Ukraine War: ইউক্রেনের বাখমুত দখলের দাবি রাশিয়ার! সেনাবাাহিনীকে অভিনন্দন জানালেন পুতিন
সামরিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব ইউক্রেনের শহর বাখমুত তারা দখল করে নিয়েছে। এমনটাই দাবি করেছে রাশিয়া। আর এই জয়ের পরেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন দেশের সেনাবাহিনী ছাড়াও ভাড়াটে সেনার দল ওয়াগনারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
অন্যদিকে ইউটক্রেনের তরফে রাশিয়ার দাবিকে স্বীকৃতি না দেওয়া হলেও, বলা হয়েছে, পরিস্থিতি সংকটজনক। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে ইউক্রেনের প্রসিডেন্ট এই মুহূর্তে জি ৭ গোষ্ঠীর বৈঠকে জাপানের হিরোশিমায় রয়েছেন।

বাখমুত দীর্ঘ সময় ধরে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সাক্ষী থেকেছে। একটা সময়ে এই শহরের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭০ হাজার। তবে রাশিয়ার দখলের সময় সেই জনসংখ্যা কত ছিল তা অবশ্য জানা যায়নি। বাখমুত ইউক্রেনের লবন-খনি হিসেবে পরিচিত।
২০২২-এর ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পরে মস্কো ও কিয়েভ অনেক ক্ষতির সম্নুখীন হয়েছে। যেদিক থেকে দেখতে গেলে বাখমুত দখল রাশিয়ার একটা বড় জয়। তবে কিয়েভও গত কয়েকমাস ধরে ন্যাটো গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলি থেকে প্রচুর অস্ত্র সংগ্রহ করেছে এবং রাশিয়াকে জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি আগে সতর্ক করেছিলেন, যে শহরের পতন হলে রাশিয়ার সেনাদের কাছে ডনবাস দখলের জন্য বড় পথ খুলে যাবে। এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রক বলেছে, তাদের আক্রমণাত্মক পদক্ষেপের ফলেই বাখমুতের মুক্তি হয়েছে।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বাখমুত দখলের পরে ওয়াগনারের ইউনিট এবং রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিুনীর সব সদস্যকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তবে এর আগেই অবশ্য ওয়াগনারের দায়িত্বে থাকা ইয়েভজেনি প্রিগোজিন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলেছিলেন, শহর তাদের দখলে চলে এসেছে। সেখানে তাদের যোদ্ধারা রাশিয়ার পতাকা তুলেছে বলেও দাবি করেছিলেন তিনি।

ওয়াগনারের দায়িত্বে থাকা ইয়েভজেনি প্রিগোজিন বলেছিলেন, বাখমুথ রাশিয়ার সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়ার আগে তা তারা ভাল করে অনুসন্তান চালাবে। প্রতিরক্ষার সব ব্যবস্খা করার পরেই, তা রাশিয়ার সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে।
অন্যদিকে ইউক্রেনের সহকারী প্রতিরক্ষামন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানিয়েছেন বাথমুতে প্রচণ্ড লড়াই চলছে। সেখানকার পরিস্থিতি সংকটজনক। তিনি আরও দাবি করেছেন, ইউক্রেনের সেনারা এলাকা ধরে রাখার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
হিরোশিমায় রবিবার জি ৭ সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বৈঠকে বসছেন। সেই বৈঠকের বেশ কয়েক রাশিয় বাখমুত দখলের দাবি তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি হিরোশিয়ার গিয়েছেন ফ্রান্সের সরকারি বিমানে। তিনি সেখানে শুধু জি ৭ গোষ্ঠীভুক্ত দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেই বৈঠক করেননি, তিনি ব্রাজিল ও ভারতের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গেও কথা বলেছেন। জেলেনস্কি কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফল পেয়েছেন হাতেনাতে। আমেরিকা জানিয়েছে তারা কিয়েভকে এফ সিক্সটিন যুদ্ধ বিমান দেবে।












Click it and Unblock the Notifications