Russia-Ukraine War: যুদ্ধ শেষ করতে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার! পুতিনকে নিয়ে সতর্ক করলেন মার্কিন গোয়েন্দারা
পশ্চিমী বিশ্ব প্রত্যক্ষভাবে না হলেও পরোক্ষ ভাবে ইউক্রেনের পক্ষ নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন যুদ্ধ শেষ করতে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার করতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন।
রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ কত দিন চলতে পারে, তা কেউই বলতে পারছেন না। এই পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুদ্ধ শেষ করতে, পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার করতে পারেন বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মার্কিন গোয়েন্দারা। মার্কিন গোয়েন্দাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে। সেখানে আরও বলা হয়েছে, পুতিন সাধারণ দেশবাসীর মন পেতে, সমগ্র পশ্চিমী বিশ্বকে আমেরিকার দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়াকে দুর্বল প্রতিপন্ন করতে ইউক্রেনের দিকে ঝুঁকেছে এই বার্তা ছড়িয়ে দিতে পুতিন যুদ্ধে নিজেকে আরও বেশি করে জড়িয়ে ফেলছেন বলেই উল্লেখ করা রয়েছে রিপোর্টে। গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে পশ্চিমী দেশগুলির সঙ্গে চিন ও রাশিয়ার সমীকরণের পরিবর্তন হচ্ছে। কীভাবে এই সংঘাত থামানো যাবে তা নিয়েও সবাই অনিশ্চিত।
এদিকে রাশিয়া ইউক্রেনের ওপরে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়িয়েছে। ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে জ্বালানি পরিকাঠামো রয়েছে এমন জায়গায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। রাশিয়ার সম্ভাব্য পারামাণবিক হামলা নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশের পরদিন থেকে এই হামলা শুরু হয়েছে। গত তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রথমবার করা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চলে কয়েকঘন্টা। এই হামলায় হতাহত নিয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইউক্রেন।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। সেখানকার হলোসিভস্কি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জরুরি পরিষেবা চালু রাখতে দল পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন শহরের মেয়র।
প্রকাশিত খবর অনুযায়ী খারকিভের উত্তর-পূর্বে ১৫ টি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে সেখানকার আবাসিক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। খারকিভের গভর্নর জানিয়েছেন ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহরের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে খুব তাড়াতাড়ি বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে খারাপ সম্পর্ক অনের বছরের। ২০১৪ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের থেকে ক্রিমিয়া দখল করে নেয়। এরপর ২০২২-এর ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ফের ইউক্রেন আক্রমণ করে। তারপর থেকে যুদ্ধ চলছে।
রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের যুদ্ধে এই দুই দেশের মধ্যে ইউক্রেনের বেশিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইউক্রেন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আর্থিক ও সামাজিকভাবে। এইমধ্যেই লক্ষ লক্ষ মানুষ ঘর হারিয়েছেন। অনেকে আবার সংলগ্ন পশ্চিমী দেশগুলিতে আশ্রয় নিয়েছেন। রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের পরিকাঠামোগত ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্কুল, স্বাস্থ্য পরিষেবা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, জল শোধন কেন্দ্রগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কিংবা হচ্ছে।
এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন আমেরিকার তরফে এর আগেই রাশিয়া পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে, এই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল। যুদ্ধের একবছর পার হয়ে গেলেও রাশিয়া এখনও সেই পথে যায়নি।












Click it and Unblock the Notifications