পশ্চিমী বাধা সত্ত্বেও ইউক্রেনে কেন হানাদারি, কী যুক্তি দিচ্ছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন

পশ্চিমী বাধা সত্ত্বেও ইউক্রেনে কেন হানাদারি, কী যুক্তি দিচ্ছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন

ইউক্রেনে (UKraine) রাশিয়ার (Russia) হানাদারির পরিকল্পনা দীর্ঘদিনের। গত ২০২১-এর জুলাইয়ে ইউক্রেন নিয়ে অবস্থান জানিয়েছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন (Vladimir Putin)। পুতিনের মতে রাশিয়া আর ইউক্রেনীয়রা এক জাতি। কিন্তু ১৯৯১-এ সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ায় ইউক্রেন স্বাধীন হয়ে যায়। পুতিনের অভিযোগ ইউক্রেনের নেতারা রুশ বিরোধী কাজে লিপ্ত।

পুতিনের যুদ্ধ ঘোষণা

পুতিনের যুদ্ধ ঘোষণা

বৃহস্পতিবার সকালে পুতিন ইউক্রেনের জনবাস অঞ্চলে সামরিক অভিযানের কথা জানান। পাশাপাশি ইউক্রেনের নিরস্ত্রীকরণের ওপরেও তিনি জোর দিয়েছেন। ইউক্রেনের সেনাদের কাছে আত্মসমর্পণের আর্জিও জানিয়েছেন তিনি।

 ক্রিমিয়া আগেই দখল করেছে রাশিয়া

ক্রিমিয়া আগেই দখল করেছে রাশিয়া

রাশিয়াকে বাদ দিলে ইউক্রেন ইউরোপের সব থেকে বড় দেশ। তার বিস্তৃতি রয়েছে এশিয়াতেও। অন্যদিকে ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের দিকে নজর রেখে চলেছে। ২০১৪ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের থেকে ক্রিমা দখল করে নিয়েছিল।

আগেই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সমর্থন

আগেই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সমর্থন

ইউক্রেনের পূর্বে থাকা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের রাশিয়া আগেই সমর্থন করেছে এবং দুটি জায়গাকে স্বাধীন বলে ঘোষণা করেছে। রাশিয়া ও ইউক্রেনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন আমেরিকা ব্রিটেন-সহ পশ্চিমী বিশ্বের নেতারা। কেনা শুধু ইউক্রেন সীমান্তেই নয় রাশিয়া উত্তরে তাদের প্রতিবেশী বেলেরুশের অভ্যন্তরে তাদের বাহিনী পাঠিয়েছে।

মূলে রয়েছে ন্যাটোর চুক্তি

মূলে রয়েছে ন্যাটোর চুক্তি

১৯৯১ সালে সোভিয়েট রাশিয়ার পতন হয়। ছিন্নভিন হয়ে যায় দেশটি। সেই সময় ইউরোপে পোল্যান্ড, হাঙ্গেরির মতো দেশও রাশিয়ার সঙ্গ ছাড়ে, যোগ দেয় ন্যাটো গোষ্ঠীর সঙ্গে। বর্তমান সময়ে রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের দ্বন্দ্বের অন্যতম কারণ হল, রাশিয়া কখনই চায় না ইউক্রেন ন্যাটোতে যোগ দিক।

রাশিয়াকে অভিযুক্ত করেছে পশ্চিমী দুনিয়া

রাশিয়াকে অভিযুক্ত করেছে পশ্চিমী দুনিয়া

তবে এবারের যুদ্ধের জন্য রাশিয়াকে অভিযুক্ত করেছেন পশ্চিমী দুনিয়া। তাদের অভিযোগ ১৯৪৫ সালের পর থেকে ইউরোপে সব থেকে বড় সামরিক হামলা শুরু করেছে রাশিয়া। যদিও রাশিয়া এটিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে।

যুদ্ধ ও আর্থিক নিষেধাজ্ঞা হুমকিতেও কেন অনড় রাশিয়া

যুদ্ধ ও আর্থিক নিষেধাজ্ঞা হুমকিতেও কেন অনড় রাশিয়া

রাশিয়ার ইউক্রেনে হামলার ঘটনায় আমেরিকা রাশিয়ার ব্যাঙ্কগুলির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সেই পরিস্থিতিতেও অনড় রাশিয়া। পুতিন একাই ন্যাটোকে প্রতিরোধ করছেন। এই পরিস্থিতিতে ন্যাটোও ইউক্রেনকে তাদের দিকে আনতে চায়। কিন্তু রাশিয়া পশ্চিমী দুনিয়ার কাছ থেকে গ্যারান্টি চায়, ইউক্রেনকে কোনওভাবেই ন্যাটোর সামরিক জোটে স্থান দেওয়া হবে না। পাশাপাশি ন্যাটোকে ১৯৯৭ সালের আগেকার অবস্থায় ফিরে যেতে হবে বলেও রাশিয়া দাবি করেছে।

ইউক্রেনের মানুষের সমর্থনই পুতিনের ভিত্তি

ইউক্রেনের মানুষের সমর্থনই পুতিনের ভিত্তি

ইউক্রেন পূর্বতন সোভিয়েত রাশিয়ার অংশ। ফলে ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু অর্থনীতি কিংবা রাজনীতির বিষয়ে ইউক্রেনের বর্তমান সরকার পশ্চিমী দেশগুলির সঙ্গে যেতে চায়। সেইখানেই বিরোধী রাশিয়ার সঙ্গে। আবার ইউক্রেনের বহু মানুষ রাশিয়ান ভাষায় কথা বলেন। পাশাপাশি রাশিয়ার প্রতি তাঁদের কিছুটা দুর্বলতাও রয়েছে। সেইসব মানুষরাই পুতিনের ভিত্তি বলেই জানা গিয়েছে।

২০১৪ সালে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা

২০১৪ সালে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা

এর আগে ২০১৪ সালে ইউক্রেনে যখন রুশপন্থী প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছিল সেই সময়তেই উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল দুইদেশের মধ্যে। রাশিয়া ক্রিমিয়া দখল করে। যার মাধ্যমে পূর্ব ইউক্রেনের একটা বড় অংশ রাশিয়াপন্ধী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দখলে চলে আসে। তবে হিংসার অবসানে এবং স্বায়ত্তশাসনের লক্ষে ২০১৫ সালে রাশিয়াপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে ইউক্রেনের বিনস্ক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। রাশিয়ার অভিযোগ ইউক্রেন মিনস্ক চুক্তি বাস্তবায়িত করেনি।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+