Russia-Ukraine Crisis: আমেরিকার প্রস্তাব ফিরিয়ে ভলোদিমির জেলেনস্কি বললেন, গোলা-বারুদ প্রয়োজন
ইউক্রেনে ভয়ঙ্কর হামলা চালাচ্ছে রুশ সেনা। রাজধানী কিভে ঢুকতে না পারলেও রাজধানীর বড় বিল্ডিংগুলিকে মিসাইলের টার্গেট করছে রাশিয়ান এয়ারফোর্স। আর এই অবস্থা দেখে ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি Volodymyr Zelensky-কে দ্রুত কিভ খালি করার কথ
যুদ্ধের তৃতীয়দিনে আরও আক্রমণাত্বক রাশিয়া! ইউক্রেনে ভয়ঙ্কর হামলা চালাচ্ছে রুশ সেনা। রাজধানী কিভে ঢুকতে না পারলেও রাজধানীর বড় বিল্ডিংগুলিকে মিসাইলের টার্গেট করছে রাশিয়ান এয়ারফোর্স। আর এই অবস্থা দেখে ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি Volodymyr Zelensky-কে দ্রুত কিভ খালি করার কথা জানায় আমেরিকা।

কিন্তু আমেরিকার দাবি খারিজ করে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। জানা গিয়েছে, আমেরিকার তরফে কিভ খালি করতে সাহায্যের প্রস্তাবও দেওয়া হয়। কিন্তু Volodymyr Zelensky স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই সময়ে যুদ্ধে আমার গোলা-বারুদের প্রয়োজন... না পালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ।
জানা গিয়েছে, Volodymyr Zelensky নতুন করে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। আর সেই ভিডিও পোস্ট করে দেশের মানুষের প্রতি তাঁর বার্তা, লড়াই জারি থাকবে। একেবারে মাটি কামড়ে থেকে লড়াই জারি রাখার বার্তা দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, তিনিও যে লড়াইয়ে রয়েছেন সেই বার্তাও দিয়েছেন Zelensky তাঁর নতুন ভিডিওতে।

যে কোনও মুল্যেই তাঁর দেশকে রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি তাঁর। Volodymyr Zelensky স্পষ্ট বার্তা, অস্ত্রই শক্তি আমাদের।
অন্যদিকে ইউক্রেনের রাজধানি কিভ দখলের বার্তা দেওয়ার হয়েছে প্রেসিডেন্টের দফতর থেকে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়াতে জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘন্টায় রাশিয়ার বাহিনী তেমন ভাবে কোনও সুবিধা পায়নি। এমনকি যেখানেই ছিল কার্যত সেখানেই আটকে রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আর সেটাই ইউক্রেনের কাছে বড় জয় বলে ইঙ্গিত প্রেসিডেন্টের অফিসের তরফে। অন্যদিকে ইতিমধ্যে ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ানোর কথা জানাল ইউরোপের একাধিক দেশ। সেই তালিকায় রয়েছে আমেরিকাও।
জানা গিয়েছে ইতিমধ্যে যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনকে সামরিক অস্ত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফ্রান্স। জানা গিয়েছে, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সামরিক অস্ত্র কিভে পাঠানো হচ্ছে। অন্যদিকে নেদারল্যান্ডের তরফে একাধিক অ্যান্টি ক্রাফট মিসাইল দেওয়ার সিদ্ধান্ত দিয়েছে। এছাড়াও একাধিক দেশ ব্যাপক ভাবে ওষুধ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
উল্লেখ্য ইউক্রেন সেনার তরফে দাবি করা হয়েছে ভয়ঙ্কর এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত এক হাজার সেনা-জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। যদিও এখনও রাশিয়ার তরফে কিছু বলা হয়নি। এমনকি তাঁদের ক্ষয়ক্ষতি নিয়েই বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
অন্যদিকে ইউক্রেনের তরফে আরও জানানো হয়েছে যে এখনও পর্যন্ত অন্তত ৮০টি ট্যাঙ্ক ধ্বংস করা হয়েছে। ৫১৬টিরও বেশি সেনা গাড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়াও সাতটি হেলিকপ্টার, ১০টি এয়ারক্রাফট এবং ২০টিরও বেশি ক্রুশ মিসাইল ধংস করা হয়েছে বলেও ইউক্রেন সেনার তরফে দাবি করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications