রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বন্ধের পর মস্কো বনাম পশ্চিম উত্তেজনা বাড়ছে

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বন্ধের পর মস্কো বনাম পশ্চিম উত্তেজনা বাড়ছে

রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের শুরু থেকেই আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক জটিল হয়েছে মস্কোর। গত ফেব্রুয়ারিতেই আমেরিকার রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন হুমকির সুরে বলেছিলেন রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করলে আমেরিকা ইউক্রেনের পক্ষ নিয়ে লড়াইয়ের ময়দানে থাকবে৷ যদিও কার্যক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেয়নি আমেরিকা কিন্তু ইউক্রেনকে অর্থ ও অস্ত্র সাহায্য দেওয়া থেকে শুরু করে ইউরোপীয় ইউনিয়নে অর্থনৈতিক ভাবে রাশিয়াকে কোনঠাসা করেছে আমেরিকা৷ একই সঙ্গে রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশনেও মস্কোর বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে পুতিনের দেশ। আবার রাষ্ট্র সংঘেরই আন্তর্জূতিক কোর্টে রাশিয়ার যুদ্ধপরাধের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব নিয়ে এসেছে আমেরিকা। এসব তো ছিল এবার গোদের উপর বিষফোঁড়া হিসেবে রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে ব্যান লাগিয়েছে আমেরিকা। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলিকে এ বিষয়ে উৎসাহ দিচ্ছে হোয়াইট হাউস। স্বাভাবিক ভাবেই এই বিষয়ে রীতিমতো ক্রুদ্ধ রাশিয়া এবার আমেরিকাকে সহ সমস্ত চাপ তৈরি করতে দেশকে সতর্ক করে উত্তেজনা বাড়াল।

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বন্ধের পর মস্কো বনাম পশ্চিম উত্তেজনা বাড়ছে

পুতিনের আগ্রাসনের শাস্তি হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদের রাশিয়া থেকে তেল আমদানি নিষিদ্ধ করার জন্য চাপ দেওয়ার পর মঙ্গলবার রাশিয়া ও পশ্চিমের মধ্যে শক্তি যুদ্ধের আশঙ্কা বেড়েছে। আবার এই পরিস্থিতিতেও রাশিয়া-ইউক্রেনে যুদ্ধ চলা অবস্থাতেও মানবিক করিডোর নিয়ে আলোচনায় সামান্য অগ্রগতি হয়েছে। গত মাসে বিতর্কিত নতুন নর্ড স্ট্রিম ২ পাইপলাইন খোলার কাজ বন্ধ করার জার্মানির সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়া সতর্ক করেছিল যে এটি রাশিয়া থেকে জার্মানিতে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাসের প্রবাহ বন্ধ করতে পারে। প্রসঙ্গত রাশিয়া ইউরোপের ৪০ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ করে।

নর্ড স্ট্রিম ২ পাইপলাইন খোলার কাজ বন্ধ হওয়া নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে সোমবার রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক বলেছেন, 'নর্ড স্ট্রীম ১ গ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস পাম্পিং-এর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা এবং সে বিষয়ে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার আমাদেরও রয়েছে।'

নোভাক আরও সতর্ক করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্ররা রাশিয়ার তেল আমদানি নিষিদ্ধ করলে তেলের দাম দ্বিগুণ হতে পারে যা ব্যারেল প্রতি ৩০০ ডলার স্পর্শ করতে পারে৷ ব্যাঙ্ক অফ আমেরিকার বিশ্লেষকরা অবশ্য বলেছেন যে যদি রাশিয়ার বেশিরভাগ তেল রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়া হয় তবে প্রতিদিন ৫ মিলিয়ন ব্যারেল বা তার বেশি ঘাটতি হতে পারে, যা তেলের দাম ২০০ ডলার পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে। মঙ্গলবার তেলের দাম ১৪ বছরের সবচেয়ে বেশি উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছিল। ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার ১.০৬ বা ০.৯ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১২৪.২৭ ডলারে পৌঁছে গিয়েছিল।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+