ইউক্রেনে সামরিক অভিযান রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের! ১০টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
ইউক্রেনের (ukraine) বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের ঘোষণা করেছেন রাশিয়ার (russia) প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (vladimir putin) । টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে তিনি সামরিক অভিযানের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে ইউক্রেন এ
ইউক্রেনের (ukraine) বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের ঘোষণা করেছেন রাশিয়ার (russia) প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (vladimir putin) । টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে তিনি সামরিক অভিযানের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে ইউক্রেন এই ঘটনাকে সামরিক আগ্রাসন হিসেবে বর্ণনা করে, এর বিরুদ্ধে সমর্থন চেয়েছে।

রক্তপাতের দায় ইউক্রেন সরকারের
যুদ্ধ ঘোষণার পরে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেছেন, এক্ষেত্রে রক্তপাতের দায় ইউক্রেনের সরকারের। ইউক্রেনে তারা সামরিক অভিযান করলেও, তা দখলের কোনও উদ্দেশ্য তাদের নেই বলেও জানিয়েছেন পুতিন। তিনি আরও বলেছেন, রাশিয়া ইউক্রেনের নিরস্ত্রীকরণের দিকে নজর রাখবেন। এদিকে পুতিনের সামরিক হানার ঘোষণার পরেই ইউক্রেনের খারকিভ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে।

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বাইডেন
ইউক্রেন যেমন অভিযোগ করেছে রাশিয়া আক্রমণ শুরু করেছে, অন্যদিকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডো বাইডেন এই যুদ্ধে জীবনহানি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। বাইডেন বলেছেন, তিনি হোয়াইট হাউস থেকে পরিস্থিতির পর্যবেক্ষণ করবেন। পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা দলের কাছ থেকে এব্যাপারে সর্বশেষ খবর নেবেন। শুক্রবার তিনি ডি সেভেন গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন। পাশাপাশি ন্যাটো গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির সঙ্গেও বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রসংঘে বিতর্ক
মানুষকে সুরক্ষা দেওয়া নিয়ে এর আগে রাষ্ট্রসংঘে বিতর্কে জড়িয়ে ছিলেন রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিরা। এই সপ্তাহে রাষ্ট্রসংঘে দ্বিতীয় জরুরি বৈঠকে ইউক্রেনের প্রতিনিধি বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। এই যুদ্ধ বন্ধ করার দায়িত্ব রাষ্ট্রসংঘের বলেই মন্তব্য করেছিলেন কিয়েভের প্রতিনিধি।

রাশিয়ার অভিযোগ
পাল্টা ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ অভিযোগ করেন, কিয়েভ বিচ্ছিন্নতার লাইন ধরে সামরিক গঠন চালিয়ে যাচ্ছে। যার জেরে অসামরিক, শিল্প পরিকাঠামো, স্কুল ও কিন্ডারগার্টেন ধ্বংসের সম্মুখীন হচ্ছে।

শান্তি চায় ইউক্রেন
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জাতীর উদ্দেশে ভাষণে বলেছেন, তার দেশ রাশিয়ার জন্য কোনও হুমকি নয়। দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণার পরে তিনি বলেন, ইউক্রেনের জনগণ এবং সেদেশের সরকার শান্তি চায়। তবে পাল্টা আক্রমণ হলে প্রতিরোধী করা হবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। ইউরোপে যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি পুতিনের কাছে আবেদনই জানিয়েছিলেন।

রাশিয়ার পাশে চিন
চিন রাশিয়াকে সমর্থন করলেও, ইউক্রেনের সার্বভৌমত্বের পক্ষেই সওয়াল করেছিল। অন্যদিকে রাষ্ট্রসংঘের তরফে রাশিয়ার কাছে ইউক্রেনের হামলা কিংবা সেনা পাঠানো বন্ধের জন্য আবেদন করা হয়।

ইউক্রেনে সাইবার হানা
একদিকে যখন রাশিয়া ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে, ঠিক সেই সময় ইউক্রেনে সাইবার হামলা অব্যাহত রয়েছে। সাইবার সিকিউরিটি ফার্ম ESET-কে উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, ইউক্রেনের শত শত কম্পিউটার ম্যালঅয়্যার দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে।

পশ্চিমী দুনিয়ার অবরোধ
বর্তমান পরিস্থিতিতে রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী সার্গেই শোইগু এবং সামরিক প্রধানদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। রাশিয়ার সেনা, নৌ এবং বিমান বাহিনীর কমান্ডারদের বিরুদ্ধে সম্পত্তির দখল নেওয়া থেকে ভিসা বাতিলের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ২৭ টি দেশের ব্লকের তরফ থেকে।

আমেরিকার অভিযোগ
আমেরিকার তরফে রাশিয়া ও চিনের বিরুদ্ধে উত্তেজনা তৈরির অভিযোগ করা হয়েছে। গত সাত দশকে বিশ্ব যেভাবে চলেছে, তার বিপরীতে চালানোর তেষ্টার অভিযোগ করা হয়েছে আমেরিকার তরফে। যা ধ্বংসাত্মক বলেও মন্তব্য করা হয়েছে আমেরিকার তরফে।

রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা
এই সপ্তাহের শুরুতে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে উত্তেজনা চরম আকার নেয়। কেননা রাশিয়া ২০১৫ সালের শান্তি পরিকল্পনার বিপরীতে গিয়ে বিদ্রোহী অঞ্চলগুলিকে স্বীকৃতি দেয়। এর পরেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তরফে রাশিয়ার ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications