Russia Ukraine Conflict: শরণার্থীদের জন্যে খুলল সীমান্ত! যুদ্ধের মধ্যেই বড় ঘোষণা আমেরিকার
২৩ দিনে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ গড়ালেও এখনও থামার কোনও লক্ষণ নেই! বরং প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে আঘাতের তেজ। ইউক্রনের বিভিন্ন জায়গাকে টার্গেট করছে রাশিয়ান এয়ারফোর্স। এমনকি সাধারণ মানুষকেও টার্গেট করা হচ্ছে। আর এই যুদ্ধ পরিস্থিতিত
২৩ দিনে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ গড়ালেও এখনও থামার কোনও লক্ষণ নেই! বরং প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে আঘাতের তেজ। ইউক্রনের বিভিন্ন জায়গাকে টার্গেট করছে রাশিয়ান এয়ারফোর্স। এমনকি সাধারণ মানুষকেও টার্গেট করা হচ্ছে। আর এই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তাঁদের নীতিতে বড়সড় পরিবর্তন আমেরিকার।

জানা গিয়েছে, যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেন থেকে পালিয়ে বাঁচা মানুষে জন্যে সীমান্ত খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জো বাইডেনের।
নীতি রয়েছে তাতে বদল এনেছে আমেরিকা
শরনার্থীদের দেশ থেকে দূরে রাখার যে নীতি রয়েছে তাতে বদল এনেছে আমেরিকা। আর এর ফলে ইউক্রেনের মানুষকে মেক্সিকো হয়ে তাঁদের দক্ষিনী সীমা দিয়ে সে দেশে ঢোকার ক্ষেত্রে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যা এই পরিস্থিতি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। সরাসরি যুদ্ধে না জড়ালেই ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সবরকম ভাবে সে সে দেশকে সাহায্যের বার্তাও দেওয়া হয়েছে। সেখানে দাঁড়িয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের মানুষের জন্যে সীমান্ত খুলে দিল আমেরিকা।
মেক্সিকোর রাস্তা দিয়ে আমেরিকায় ঢোকার কথা-
ইউক্রেন থেকে পালিয়ে বাঁচা শরনার্থীরা যারা আমেরিকার সঙ্গে থাকতে চান, তাঁরা মেক্সিকোর রাস্তা ধরে নিজুআনা শহর হয়ে আমেরিকাতে ঢোকার কথা বলা হয়েছে। আলজাজিরাতে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ১৮ বছরের এক কিশোর জানিয়েছেন, উনি দক্ষিণ ইউক্রেনের শহর mycolive-ই হামলার পরেই প্রাণ বাঁচাতে দেশ ছাড়ি।
আর আমেরিকাতে শরণ নেওয়ার জন্যেই যে তিনি যাচ্ছেন তা মেনে নিয়েছেন। ওই কিশোর শুধু একা নন, তাঁর সঙ্গে ওনার মা এবং বাবাও আছেন।
আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই কিশোর আরও জানান, মেক্সিকো যাওয়ার আগে প্রথমে মোলদোবা এবং পরে রোমানিয়া হয়ে যাত্রা শুরু করে। তবে মেক্সিকোতে ঢোকার জন্যে ইউক্রেনের মানুষদের কোনও ভিজার ব্যবস্থা থাকছে না। সে জানায়, রাতের অন্ধকারে গাড়ি নিয়ে তাঁরা তাঁদের দেশ ছাড়েন। যত দ্রুত সম্ভব হয়েছে তাঁরা বাড়ি ঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন ওই ব্যক্তি।
ওই কিশোরের পরিবার জানিয়েছেম মেক্সিকোর রাস্তা হয়ে তাঁদের আমেরিকাতে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যেখান থেকে তাঁরা ক্যালিফোর্নিয়া পৌঁছয়। যেখানে তাঁদের পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য থাকেন। এখনও যা পর্যন্ত যা খবর, ইউক্রেনের উপরে রাশিয়ার হামলার পর থেকে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ সে দেশ ছেড়েছে।
বেশির ভাগ মানুষই ইউরোপের বিভিন্ন শহরে আশ্রয় নিয়েছেন। তবে ক্যালিফোর্নিয়া প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে, মূলত করোনার কারণে আমরা ইউস-মেক্সিকো সীমা দীর্ঘদিন বন্ধ রাখা হয়েছিল। কিন্তু ইউক্রনের মানুষের জন্যে সমব্যাথি আমরা! আর তাই সীমান্ত খুলে দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications