রাশিয়া আক্রমণ করতে পারে, ভারতীয় ছাত্রছাত্রীদের ইউক্রেন থেকে ফেরার নির্দেশ
রাশিয়া আক্রমণ করতে পারে, ভারতীয় ছাত্রছাত্রীদের ইউক্রেন থেকে ফেরার নির্দেশ
যুদ্ধের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে ইউক্রেন-রাশিয়া। যে কোনও সময় ইউক্রেন আক্রমণ করতে পারে প্রতিবেশি দেশটি৷ এই যুদ্ধ আবহে সেখানকার ভারতীয় মিশন ইউক্রেনে থাকা ভারতীয় ছাত্রছাত্রীদের দেশে ফিরতে বলল। বিশেষ করে যে সমস্ত ভারতীয়দের ইউক্রেনে থাকা অপরিহার্য নয়, তাদের ভারতে ফিরে যেতে বলা হয়েছে। যারা একেবারেই ফিরতে পারবেন না তাঁদের ভারতীয় দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ রেখে চলার কথা বলা হয়েছে।

আক্রমণের পরিকল্পনার কথা অস্বীকার করেছে আমেরিকা!
তবে শুধু ভারত নয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও তার ইউক্রেন দূতাবাসের কার্যক্রম রাজধানী কিয়েভ থেকে পশ্চিমের শহর লভিভে সরিয়েছে। সোমবার সেক্রেটারি অফ স্টেট এন্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন,'রুশ বাহিনী সাজানোয় দ্রুততা লক্ষ্য করা গিয়েছে।' মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বারবার সতর্ক করে জানিয়েছেন, যে রাশিয়া ইউক্রেনের সীমান্তে সেনাবাহিনী সাজাতে করতে প্রতিবেশী বেলারুশের কাছে ১০০০০০ এরও বেশি সৈন্য একত্রিত করে চলেছে এবং যে কোনও সময় কিয়েভ সহ ইউক্রেনের অন্য অংশগুলিতে বিধ্বংসী আক্রমণ শুরু করতে পারে। রাশিয়া অবশ্য আমেরিকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে যে তারা আক্রমণের পরিকল্পনা করছে।

কী বলছেন বাইডেন?
অন্যদিকে বাইডেন প্রশাসন বারবার রাশিয়াকে 'গুরুতর পরিণতি' সম্পর্কে সতর্ক করেছে। ইউক্রেন আক্রমণ না করে দু'দেশের সমস্যার কূটনৈতিক সমাধানের জন্য জোর দেওয়ার কথা বলেছে আমেরিকা। বাইডেন বলেছেন, দু'দেশের সংকট নিরসনের জন্য কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছাতে আমরা সক্রিয়ভাবে কাজ করছি।
বাইডেন জানিয়েছেন তিনি পুতিনের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথাও বলেছেন। 'হোয়াইট হাউসের প্রিন্সিপাল ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি কারিন জিন-পিয়ের সাংবাদিকদের বলেছেন আমাদের সদস্যদের সঙ্গে সম্পূর্ণ যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা রাশিয়ান সরকারের সঙ্গে রয়েছি।' আন্রর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছোন ন্যাটোতে ইউক্রেনের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে রাশিয়া এবং উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (ন্যাটো) এবং পশ্চিমা শক্তিগুলির মধ্যে আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়াতেই যু্দ্ধের পরিস্থিতি তৈর হয়েছে দুটি দেশের মধ্যে।

কেন যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে? কী চায় রাশিয়া?
গত বছরের ডিসেম্বরে, ন্যাটোকে পূর্ব ইউরোপে তার সমস্ত সামরিক তৎপরতা ত্যাগ করার দাবি জানায়। এতে পোল্যান্ড এবং বাল্টিক থেকে ন্যাটো ব্যাটালিয়ন প্রত্যাহারের দাবি অন্তর্ভুক্ত ছিল। রাশিয়ার আরও দাবি যে ন্যাটো যেন কখনোই ইউক্রেনকে সদস্য হিসাবে স্বীকার না করে। সঙ্গেই রাশিয়া একটি লিখিত আইনি গ্যারান্টি দাবি করেছে যে ইউরোপিয়রা, ন্যাটো বা অন্য কোন সংস্থার মাধ্যমে, আরও পূর্ব দিকে সম্প্রসারণ থেকে বিরত থাকবে। সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণেরও দাবিও জানিয়েছে রাশিয়া।












Click it and Unblock the Notifications