রাশিয়ায় হেভি শেলিং ইউক্রেনের! দ্রুত মার্কিনীদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ বাইডেনের
সীমান্তে ক্রমশ উত্তেজনা বাড়ছে। ইউক্রেন (Ukraine) এবং রাশিয়ার (Russia) মধ্যে যুদ্ধের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। আর তা নিয়েই চিন্তার কালো ভাঁজ পড়েছে পশ্চিমী দেশগুলিতে। আর এই উত্তেজনার মধ্যেই হেভি শেলিংয়ের খবর সামনে আসছে।
সীমান্তে ক্রমশ উত্তেজনা বাড়ছে। ইউক্রেন (Ukraine) এবং রাশিয়ার (Russia) মধ্যে যুদ্ধের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। আর তা নিয়েই চিন্তার কালো ভাঁজ পড়েছে পশ্চিমী দেশগুলিতে। আর এই উত্তেজনার মধ্যেই হেভি শেলিংয়ের খবর সামনে আসছে।
আজ সোমবার রাশিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, ইউক্রেনের তরফে হেভি শেলিং করা হয়েছে। আর এই শেলিংয়ের কারণে রাশিয়ার Federal Security Service (FSB)-এর সীমান্ত সুরক্ষা ভেঙে পড়েছে।
আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে আশঙ্কার কালো মেঘ তৈরি হয়েছে। তাহলে কি যুদ্ধের দামামা বেজে গেল বিশ্বে? যদিও এখনও এই বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে কিছু বলতে চান না সামরিক পর্যবেক্ষকরা। পুরো বিষয়টির উপর নজর রাখা হচ্ছে।

হেভি শেলিং করা হয়েছে
অন্যদিকে রাশিয়ার সংবাদমাধ্যমের তরফে জানানো হয়েছে যে। ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টা বেজে ৫০ মিনিটে ইউক্রেনের তরফে হেভি শেলিং করা হয়েছে। আর সেই কারণে রাশিয়া এবং ইউক্রেন সীমান্ত থেকে ১৫০ মিটার দূরে Rostov region-এর মধ্যে FSB-এর একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা একেবারেই ভেঙে পড়েছে। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সামরিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনা সত্যি হলে পালটা প্রত্যাঘাত করতে পারে রাশিয়াও। আর এতেই যুদ্ধের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা পর্যবেক্ষকদের একাংশের।

একটি সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে
অন্যদিকে এই ঘটনার পরেই আমেরিকার তরফে একটি সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। যেখানে স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে দ্রুত ইউক্রেনে বসবাসকারী মার্কিনীদের দেশ ছাড়তে বলা হয়েছে। এতে আরও আশঙ্কার কালো মেঘ তৈরি হচ্ছে।

চূড়ান্ত যুদ্ধের পজিশনে রয়েছে দুই দেশের সেনাবাহিনী
বলে রাখা প্রয়োজন গত কয়েকমাস ধরে রাশিয়া এবং ইউক্রেনের সীমান্তে চূড়ান্ত যুদ্ধের পজিশনে রয়েছে দুই দেশের সেনাবাহিনী। যদিও রাশিয়ার তরফে শান্তির বার্তা দিয়ে সেনা সরিয়ে নেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে সামরিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইউক্রেনকে চারপাশ দিয়ে ঘিরে ফেলেছে রাশিয়া। সীমান্তের একাধিক ঘাঁটিতে হাই অ্যালার্টে রয়েছে যুদ্ধবিমান থেকে হেলিকপ্টারগুলি।

পুতিনকে ফোন করেন
অন্যদিকে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি Emmanuel Macron সম্প্রতি পুতিনকে ফোন করেন। এবং ১০৫ মিনিট কথা হয় দুজনের মধ্যে। জানা গিয়েছে, রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে যে সংঘাত তৈরি হয়েছে তা আলোচনা মাধ্যমে সমধান করার কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে পুতিনের সঙ্গে আলোচনার পর Emmanuel Macron-ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতির সঙ্গেও দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। তাঁকেও যুদ্ধের রাস্তা থেকে সরে আসার আহ্বান জানানো হয়। কিন্তু সবাই পরিস্থিতিকে সময়ের উপরেই ছেড়ে দিয়েছে বলে দাবি সংবাদমাধ্যমের।












Click it and Unblock the Notifications