উষ্ণতম বছরের তকমা পেতে পারে ২০২০, ভাঙতে পারে সমস্ত পুরনো রেকর্ড, আশঙ্কা গবেষকদের
বছরের শুরু থেকেই বিশ্বের নানাবিধ দুঃসময়ের সাক্ষী থেকেছে ২০২০। এই বছরেই করোনার প্রকোপে স্বাভাবিক ছন্দ হারিয়েছে গোটা পৃথিবী। তার মাঝে নতুন আশঙ্কার কথা জানালেন বিশেষজ্ঞরা। মার্কিন সমুদ্র ও বায়ুমন্ডল বিশারদদের গবেষণা থেকে উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সর্বাধিক উষ্ণতম বছরের রেকর্ড গড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কেমন কাটল বছরের শুরুটা?
করোনা প্রাদুর্ভাবের হাত ধরে সারা বিশ্বের মানুষই হয়তো ২০২০ সালটিকে আজীবনেও ভয়ঙ্করতম স্মতিরপাতায় তুলে রেখে দেবেন। একেরপর এক ঘটনা পরম্পরায় এই বছর একাধিক ভয়াবহতার আবহ তৈরী হয়ে চলেছে। সারাদেশ ব্যাপী করোনা প্রাদুর্ভাবের মাঝেই ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তান্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে বাংলা ও ওড়িশার উপকূলবর্তী একাধিক জেলা। পাশাপাশি, দেশের চার রাজ্যে পঙ্গপালের হানায় ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত একর একর জমি। এর মাঝেই বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, এই বছর যেভাবে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে এই বছরটি উষ্ণতম বছরেরেও রেকর্ড গড়তে পারে।

তাপমাত্রা বাড়তে পারে ভারত-বাংলাদেশে
এই ভাবে উষ্ণতা বৃদ্ধির সর্বাধিক প্রভাব পড়তে পারে উত্তর গোলার্ধে। আগামী সপ্তাহ গুলিতে ভারত-বাংলাদেশে ব্যাপক তাপপ্রবাহ চলবে বলে জানা যাচ্ছে। এদিকে কয়েকদিন আগেই এই দুই দেশের উপর দিয়ে তীব্র আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। গত সপ্তাহে উত্তর ভারত ও মধ্যভারতের কয়েকটি অংশে যেমন রাজস্থানের সোনগাঁও, মহারাষ্ট্র এবং চুরুর মতো জায়গাগুলিতে তাপমাত্রা পৌঁছেছিল প্রায় ৪৬ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শুক্রবার হালকা বৃষ্টির পর তাপমাত্রার পারদ কিছুটা হলেও কমেছে।

আগের সমস্ত রেকর্ডকে ছাপিয়ে যাবে ২০২০
যদিও বছর শুরু আগে থেকেই, বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করেছিলেন এই বছর সর্বোচ্চ উষ্ণতার নিরিখে আগের সব রেকর্ডকে ছাপিয়েযেতে পারে। এই বছর গত চার বছরের সর্বোচ্চ উষ্ণতার রেকর্ড ভাঙার ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ সম্ভাবনা আছে বলেই মনে করেছেন বিশেষজ্ঞরা। মার্কিন সমুদ্র ও আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের মতে এই সম্ভাবনা প্রায় ৭৪%।

আগামী ২রা জুন অবধি দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস
এদিকে গত কয়েকদিন দিল্লির তাপমাত্রা সহ্যের সীমা ছাড়িয়েছিল। কিন্তু গতকাল থেকেই ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়েছে আবহাওয়া। দিল্লির পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে আগামী কয়েকদিন প্রবল বজ্রপাত সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে বলে খবর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে। ১৬ মের পরে প্রথম তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির নীচে নেমেছে। মনে করা হচ্ছে আগামী ১ ও ২ জুন পর্যন্ত চলবে বৃষ্টি।












Click it and Unblock the Notifications