হস্তমৈথুন করতে গিয়ে বিপত্তি, ফুসফুসের বিরল আঘাত, বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি যুবক
হস্তমৈথুন করতে গিয়ে বিপত্তি, ফুসফুসের বিরল আঘাত, বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি যুবক
হস্তমৈথুন করার সময় ফুসফুসে বিরল ধরনের আঘাত লাগার কারণে এক ২০ বছরের যুবককে ভর্তি করতে হল সুইৎজাল্যান্ডের হাসপাতালের আইসিইউতে। সুইস নাগরিক জানিয়েছেন, 'বিছানায় শুয়ে হস্তমৈথুন করার সময় শ্বাস নিয়ে সমস্যা হওয়ার পাশাপাশি বুকে তীব্র বেদনা অনুভব হয়।’ প্রসঙ্গত, মেডিক্যাল জার্নাল রেডিওলজি কেস রিপোর্টের মে মাসের প্রকাশনীতে এই খবর প্রকাশ হয়েছে।

যুবকের আগে থেকেই হালকা হাঁপানির পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকায় বুকে ব্যথা অনুভব হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি দ্রুত উইনটারথারের ক্যান্টোনাল হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হয়ে যান। রেডিওলজি কেস রিপোর্টের প্রকাশিত খবরের তথ্য অনুসারে, শ্বাল–প্রশ্বাস নিতে সমস্যা ও পুরো শরীর মোচড় দিয়ে ব্যথা হওয়ায় অজানা ওই ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে যান।
চিকিৎসকরা ওই ব্যক্তিকে পরীক্ষা করে জানতে পারেন যে তিনি 'স্পনটানিয়াস’ নিউমোমিডিয়াস্টিনাম (এসপিএম)–এ আক্রান্ত, যেখানে ফুসফুস থেকে বাতাস বেরিয়ে যায় এবং তা পাঁজরের খাঁচায় গিয়ে আটকে যায়। এই ব্যক্তির কেসে দেখা গিয়েছে যে ফেঁসে যাওয়া বাতাস তাঁর পুরো শরীরে ছড়িয়ে গিয়েছে এমনকী তাঁর মস্তিষ্কেও। চূড়ান্তভাবে যদি এটা হত তাহলে ওই ব্যক্তির ফুসফুস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হত।
চিকিৎসা চলাকালীন ওই ব্যক্তির বুকের বেদনা কমানোর জন্য প্যারাসিটামল দেওয়া হয় এবং তাঁকে সারারাত আইসিইউতে রাখা হয়। এরপরের দিন তাঁকে জেনারেল বেডে স্থানান্তর করা হয়। তিনদিন চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকার পর ওই ব্যক্তি সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান।
'স্পনটানিয়াস’ নিউমোমিডিয়াস্টিনাম বা এসপিএম হল একটি বিরল ক্লিনিকাল সত্তা যা আঘাতের মতো আপাত কারণ ছাড়াই মিডিয়াস্টিনাল কাঠামোতে মুক্ত বাতাসের উপস্থিতি হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। রোগীদের সাধারণত এই রোগে বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট সহ অন্যান্য উপসর্গ দেখা যায়। এই এসপিএম শিশুদের মধ্যে খুব বিরল দেখা গেলেও তরুণ বা যুবকদের মধ্যে এই রোগ অধিকতর দেখা যায়।
অপরদিকে হস্তমৈথুন বা স্বমেহন একটা জৈবিক প্রক্রিয়া। মানুষ যখন যৌনতা উপভোগ করার জন্য একান্তে যৌন চাহিদা পূরণের জন্য স্বতঃস্ফূর্ত ও স্বাভাবিক রাখার সাহায্য করে, তখন হস্তমৈথুনের প্রয়োজন পড়ে। তবে চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত হস্তমৈথুনে মানসিক চাপ কমার পরিবর্তে বাড়াতে পারে। বাড়তে পারে শারীরিক ক্লান্তি বোধ। পাশাপাশি, শরীরের একাধিক পেশিতে টান পড়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়।












Click it and Unblock the Notifications