SCO Summit: এসসিও সম্মেলনে যৌথ বিবৃতিতে সই করলেন না রাজনাথ, সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে ফের কড়া অবস্থান নিল ভারত
ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO)-এর প্রতিরক্ষা মন্ত্রীদের বৈঠকে সন্ত্রাসবাদ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি যৌথ বিবৃতিতে সই করেননি। চিনের কিংদাও শহরে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সন্ত্রাসবাদ বিষয়ে সদস্য দেশগুলির মধ্যে মতপার্থক্যের কারণে শেষ পর্যন্ত কোনও যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।
ভারতের এই পদক্ষেপ কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন এবং সীমান্তপার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানকে আরও জোরালো করে তুলেছে। সম্মেলনে চিন, রাশিয়া, পাকিস্তান এবং ভারত-সহ দশটি সদস্য দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা অংশ নেন। আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ বিরোধী সহযোগিতা এবং সদস্য দেশগুলির মধ্যে সামরিক সমন্বয় বৃদ্ধি ছিল এই সভার মূল আলোচ্য বিষয়।

বৈঠকে রাজনাথ সিং সন্ত্রাসবাদকে রাষ্ট্রীয় নীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের তীব্র নিন্দা করেন। এটি ছিল পাকিস্তানকে সরাসরি ইঙ্গিত। সম্প্রতি হওয়া পহেলগাঁও হামলার মতো জঙ্গি হামলার কথাও তিনি উল্লেখ করেন, যা পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার কাজ বলে উঠে এসেছে।
রাজনাথ সিং বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কোনও সহনশীলতা বা দুরকম নীতি থাকা উচিত নয়। তাঁর মতে, শান্তি ও সমৃদ্ধি কখনও সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সহাবস্থান করতে পারে না এবং যাঁরা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসবাদকে ব্যবহার করে, তাঁদের বিরুদ্ধে সম্মিলিত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
এসসিও বৈঠকে যৌথ ইস্তেহারে ভারতের সই না করার মতো সিদ্ধান্ত অবশ্য নতুন নয়। এর আগেও ভারত ২০২৩ সালের এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে চিনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ সমর্থনকারী অনুচ্ছেদগুলিতে সম্মতি জানাতে রাজি হয়নি। শুধু তাই নয়, চিনের প্রস্তাবিত ব্রিকস কারেন্সি বাক্সেট পরিকল্পনারও বিরোধিতা করেছিল ভারত।
প্রতিরক্ষামন্ত্রীর চিন সফরে অ্যাডমিরাল ডং জুনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হয়েছে। এই আলোচনার প্রধান লক্ষ্য ছিল সামরিক যোগাযোগ চ্যানেলগুলিকে উন্নত করা। ভারত-চিন সামরিক হটলাইন পুনরায় চালু করার সম্ভাবনাও রয়েছে। ২০২০ সালের গালওয়ান উপত্যকার সংঘর্ষের পর এটিই ছিল ভারতের কোনও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর প্রথম চিন সফর।












Click it and Unblock the Notifications