ভারতের সংবিধানে আঘাত হানছে বিজেপি-আরএসএস, মার্কিন মুলুকে ফের রাহুলের নিশানায় মোদী সরকার
আমেরিকার মাটিতে দাঁড়িয়ে ফের মোদী সরকার এবং বিজেপিকে নিশানা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর। মোদীর যাওয়ার আগেই আমেরিকায় পৌঁছে গিয়েছেন তিনি। সেখানে বুধবার ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি্ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সরাসরি িবজেপি এবং মোদী সরকারকে নিশানা করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।
কর্নাটকে কংগ্রেসের জয়ের পর এই প্রথম রাহুলের বিদেশ সফর। সেকারণেই রাহুলের এই আমেরিকা সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈিতক মহল। ৬ দিনের আমেরিকা সফরে গিয়েছেন তিনি। প্রথম দিন থেকেই মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

কংগ্রেসের ভারত জোড়ো যাত্রা আটকানোর সবরকম চেষ্টা মোদী সরকার চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন প্রধান তিনি। ভারতকে সম্প্রীতির বন্ধনে বেঁধেছে ভারত জোড়ো যাত্রা। সেকারণেই মোদী সরকার ভয় পেয়ে গিয়েছিল। কারণ বিজেপির উদ্দেশ্যই হল বিভেদের রাজনীতি করা। ভারত জোড়ো যাত্রা গোটা দেশকে এক সূত্রে বেঁধেছে। সেকারণেই ভয় পেয়ে গিয়েছিল মোদী সরকার অভিযোগ করেছেন রাহুল গান্ধী।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য রাহুলের ভারত জোড়ো যাত্রার পরেই কর্নাটকে বিপুল সাফল্য পেয়েছে কংগ্রেস। কংগ্রেসের ঝড়ে যাকে বলে ধুলিসাৎ হয়ে গিয়েছে বিজেপি। কর্নাটকে মাথা তুলে দাঁড়াতেই পারেনি বিজেপি। যদিও প্রচারে কোনও খামতি রাখেনি মোদী শাহ। দিনের পর দিন সেখানে পড়ে থেকে প্রচার চালিেয় িগয়েছিলেন তাঁরা।

কংগ্রেসের এই সাফল্যের পরেই নতুন করে বিরোধী ঐক্যের প্রাণ সঞ্চার হয়েছে। ধীরে ধীরে একজোট হতে শুরু করেছে অবিজেপি দলগুলি। আগামী ১২ জুন পাটনায় সব অবিজেপি দলের বৈঠক রয়েছে। সেই বৈঠকেই চূড়ান্ত করা হবে লোকসভা ভোটের স্ট্র্যাটেজি। এদিকে তার আগেই মার্কিন মুলুকে গিয়ে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন রাহুল গান্ধী।
তিনি অভিযোগ করেছেন ভারতীয় সংবিধানে বিভিন্ন ভাষাভাষি, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকারের কথা বলা হয়েেছ। কিন্তু বিজেপি এবং আরএসএস বিভেদের রাজনীতি করে সংবিধান আঘাত হানছে। কিন্তু বিজেপি সেখানে ঘৃণা এবং বিদ্বেষের পরিবেশ তৈরি করে চলেছে। বিজেপি গোটা দেশে একটা ভাষা কার্যকর করার চেষ্টা করছে যেটা কখনি করা উচিত নয় বলে দাবি করেছেন তিনি।

তামিলনাড়ুর উদাহরণ টেনে রাহুল গান্ধী বলেছেন, তামিল শুধু তামিলনাড়ুর বাসিন্দাদের ভাষা নয়, তার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একটা ইতিহাস একটি প্রজাতির সংস্কৃতি। একই ভাবে পাঞ্জাবী, বাংলা, কন্নড়ের ক্ষেত্রেও সমান ভাবে প্রযোজ্য এই ভাবধারা। কিন্তু মোদী সরকার সেটা করতে চাইছে না।
সেই সঙ্গে জাতি ভিত্তিক জনগণনার দাবি নিয়ে আরো বেশি সরব হয়েছেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছেন যতক্ষণ না জাতি ভিত্তিক জনগণনা হবে ততক্ষণ গোটা দেশকে সেভাবে চিনতে পারা যাবে না। কোন সম্প্রদায় কতটা পিছিয়ে রয়েছে সেটা স্পষ্ট হয়ে যাবে জাতি ভিত্তিক জনগণনা হলেই।












Click it and Unblock the Notifications