Iran Attacks Qatar US Base: কাতারে মার্কিন সেনা ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ট্রাম্পকে সরাসরি জবাব খামেনেইয়ের
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বদলা নিতে এবার কাতারে হামলা চালাল ইরান। আমেরিকা দিন দুই আগে ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলিতে হামলা চালায়। তার পাল্টা এদিন কাতারের আল উদেইদ এয়ার বেসে ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান।
ইরানের সরকারি টেলিভিশন 'অপারেশন বেশারত ফতেহ' শুরুর ঘোষণা করেছে। তেহরান এটিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশ্য সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একটি অভিযান হিসেবে অভিহিত করেছে।

দোহার বাইরে অবস্থিত আল উদেইদ এয়ার বেসে প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। এটি মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম আমেরিকান সেনা ঘাঁটি এবং এই অঞ্চলের বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। জানা গিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের পরপরই কাতারের রাজধানী দোহায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে।
এর আগে কাতার নিজেদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটিশ দূতাবাস নিজেদের নাগরিকদের আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার পরামর্শ দেওয়ার পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই আকস্মিক সতর্কবার্তা দোহার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পড়ে। স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় ও অফিসগুলি নিজেদের কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাড়ির ভিতরে থাকতে বলেছে।
মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে হামলার ঘটনা ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিল। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে একটি বৃহত্তর অঞ্চলে সংঘাতের আশঙ্কা বাড়ল। এর আগে ইরান মার্কিন হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছিল। সোমবারের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ছিল ইরানের প্রথম সরাসরি প্রতিক্রিয়া। পাশাপাশি ইজরায়েলের বিরুদ্ধেও ক্ষেপণাস্ত্র হানা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান।
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল জানিয়েছে, তাদের সশস্ত্র বাহিনী প্রতিশোধমূলক হামলায় ঠিক ততগুলি বোমা ব্যবহার করেছে, যতগুলি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলিতে তাদের হামলায় ব্যবহার করেছিল।
মার্কিন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বর্তমানে হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
ইরানের ভূগর্ভস্থ পরমাণু কেন্দ্রগুলিতে আমেরিকা ৩০ হাজার পাউন্ডের বোমা ফেলার পর ইরান প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছিল। সেই সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সরকারকে উৎখাত করার কথাও বলেছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications