Putin in Crisis: বড় সংকটে পুতিন! 'ফ্রাঙ্কেনস্টাইন' প্রিগোজিনের অভিমুখ এখন মস্কোর দিকে
ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে বড় সংকটে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin in Crisis)। বিশেষজ্ঞ মহল রাশিয়ায় অভ্যুত্থানের আশঙ্কা করছে। ক্রেমলিনের নিরাপত্তার জন্য মস্কোতে ট্যাঙ্ক মোতায়েনের খবরও পাওয়া গিয়েছে। সংবাদ সংস্থা জানাচ্ছে, শনিবার ভোর রাতে মস্কোর কেন্দ্রস্থলে সেনাবাহিনীর গাড়ি দেখা গিয়েছে।
এখানে বলে রাখা ভাল যে প্রিগোজিনকে নিয়ে আলোচনা, তার ওয়াগনার গ্রুপকে পুতিনের ব্যক্তিগত মিলিশিয়া গ্রুপ বলেই ধরা হত। ইউক্রেনের সঙঅগে যুদ্ধে তারা শুরুর দিকে রাশিয়াকে সাহায্যও করেছে। তবে এই মুহূর্তে জঙ্গি নেতা ইয়েভজেনি প্রিগোজিন মস্কোকে শাস্তি দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বলে জানা গিয়েছে।

সংবাদ সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ইয়েভজেনি প্রিগোজিনের সশস্ত্র বিদ্রোহ নিয়ে নিয়মিত জানানো হচ্ছে প্রেসিডেন্ট পুতিনকে (Putin in Crisis)। রাশিয়ার ন্যাশনাল গার্ড ছাড়াও প্রতিরক্ষামন্ত্রক এবং অভ্যন্তরীণ মন্ত্রণালয় এব্যাপারে পুতিনকে তথ্য দিচ্ছে।
বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ইয়েভজেনি প্রিগোজিন ইউক্রেনের বাখমুতে যে হামলা হয়েছে, তার জন্য ক্রেমলিনকে দায়ী করেছে। ইউক্রেনের বাখমুতে ওয়াগনারের প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। সেই হামলায় অনেক ওয়াগনার জঙ্গি মারা যায়। তারপরেই প্রিগোজিন প্রতিজ্ঞা করেন, তাদের অভিমুখ এবার মস্কোর দিকে।
ইয়েভজেনি প্রিগোজিন অভিযোগ করেছিলেন, রাশিয়ার সামরিক বাহিনী তাদের শিবিরে হামলা চালিয়ে বিপুল সংখ্যক সদস্য ও সহকর্মীদের হত্যা করেছে। তিনি আরও বলেছেন, পিএমসি ওয়াগনারের কাউন্সিল অফ কমান্ডার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের সামকির নেতৃত্ব খারাপ দিকগুলি অবশ্যই বন্ধ করতে হবে (Putin in Crisis)।
ওয়াগনার গ্রুপের প্রধান বলেছেন, তাঁর বাহিনী দক্ষিণ সীমান্ত এলাকায় প্রবেশ করেছে। এছাড়াও রোস্তভের দক্ষিণ সামরিক জেলা ভবনের নিয়ন্ত্রণ তারা নিয়েছে বলেও দাবি করেছেন। তিনি রাশিয়ার বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করে বলেছেন, তাঁর প্রায় ২৫ হাজার সেনাবাহিনী যুদ্ধে মৃত্যু বরণ করে নিতে প্রস্তুত।

এদিকে রোস্তভের রাশিয়ান কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষকে বাড়ির ভিতরে থাকার জন্য আবেদন করেছে। লিপেস্টকের গভর্নর বলেছেন কর্তৃপক্ষ এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এদিকে পুতিন বিরোধী নেতা খোডোরকভস্কি ওয়াগনার প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোজিনকে সমর্থন করার জন্য রাশিয়াবাসীর কাছে আহ্বান জানিয়েছেন (Putin in Crisis)।
১০ বছর আগে ২০১৩ সালে ওয়াগনার গ্রুপটি গঠন করা হয়েছিল। ২০২২-এ গ্রুপটি একটি কোম্পানি হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। যার সদর দযফতর হল সেন্ট পিটার্সবার্গ। ইউস সিকিউরিটি কাউন্সিলের দাবি এই গ্রুপের ৮০ শতাংশের বেশি মানুষ অপরাধী। এর মধ্যে প্রাক্তন সেনাও রয়েছে। গ্রুপটি নিজেদের জাতীয়তাবাদী সংগঠন বলে দাবি করে থাকে।












Click it and Unblock the Notifications