নেপাল কমিউনিস্ট পার্টিতে নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা অলির, বিরোধীরা চান অপসারণ
নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির উপর তার নিয়ন্ত্রণ বলবৎ করার চেষ্টা করলেন। মঙ্গলবার তাঁর অনুগামীদের একটি মূল প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত করেন।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির উপর তার নিয়ন্ত্রণ বলবৎ করার চেষ্টা করলেন। মঙ্গলবার তাঁর অনুগামীদের একটি মূল প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত করেন। এমনকী পুষ্প কামাল দাহাল ওরফে 'প্রচণ্ড'-র নেতৃত্বাধীন প্রতিদ্বন্দ্বী দলের পক্ষ থেকে তাঁর বদলির দাবি করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মাধব কুমারকে তাঁর স্থলাভিষিক্ত করার দাবি তোলেন।

নেপালে রাজনৈতিক সঙ্কট তৈরি হয়েছে ৬৮ বছর বয়সী প্রধানমন্ত্রী অলি রবিবার সংসদ ভেঙে দেওয়ায়। নির্বাচনের নির্ধারিত সময়ের এক বছর আগে ৩০ এপ্রিল ও ১০ মে দুই দফায় সাধারণ নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। জাতির উদ্দেশ্যে একটি বার্তায় প্রধানমন্ত্রী অলি তাঁর সিদ্ধান্তের সমর্থনে বলেন, "আমার সরকারের বিরুদ্ধাচারণ করে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। তাই তিনি নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন ম্যান্ডেট চাইতে বাধ্য হয়েছেন।
অলি বলেন, "সংসদ ভেঙে দেওয়া এবং নতুন নির্বাচন আমার পছন্দ ছিল না।" তাঁর সরকার ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্তের পরে প্রধানমন্ত্রী প্রথম ভাষণে বলেন এই কথা। কেন্দ্রীয় কমিটির মতো প্রধান পার্টির প্যানেলে প্রধানমন্ত্রী অলির অনুগতদের অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা শুরু করা হয়েছিল তারপরেই।
কমিউনিস্ট পার্টির দুটি দল। একটি প্রধানমন্ত্রী অলির নেতৃত্বে এবং অন্যটি তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী পুষ্প কামাল দাহালের নেতৃত্বে। তাদের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। মঙ্গলবার এই বৈঠক চার সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি-সহ বেশিরভাগ দলীয় প্যানেলে দাহালের দলটির সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রমাণ দিচ্ছে।
কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক শেষে দাহাল গোষ্ঠী কেপি শর্মা অলিকে নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান হিসাবে মাধব কুমার নেপালকে প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। মোট ৩১৫ জন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মাধব নেপালের পক্ষে ভোট দিয়েছেন বলে মুখপাত্র জানান। এই বৈঠকের মাত্র কয়েক ঘন্টা আগে প্রধানমন্ত্রী অলি পার্টির আঈর একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছিলেন। তাই তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়।












Click it and Unblock the Notifications