বাংলাদেশে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা, নিষিদ্ধ একের পর এক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম
বাংলাদেশে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। সারা দেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম। ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইউটিউব-সহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। শুক্রবার ঘোষণা করা সরকারি ওই পদক্ষেপের ফলে সারা দেশে বহুল ব্যবহৃত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির অ্যাক্সেস কার্যকরভাবে সীমিত করে দেওয়া হয়েছে।
গ্লোবাল আইজ নিউজ সর্ব প্রথম তাদের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই নিষেধাজ্ঞার কথা জানিয়েছে। তারা বলেছে শুক্রবার থেকে এইসব সোশ্যাল মিডিয়া নেটওয়ার্কগুলিতে অ্যাক্সেস সমগ্র বাংলাদেশে সীমিত থাকবে। প্রসঙ্গত, উল্লেখ করা যেতে পারে শুক্রবার তুরস্ক দিনের শুরুতেই ইনস্টাগ্রামের ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

কোটা সংস্কার নিয়ে দেশে ব্যাপক অস্থিরতার জেরে জুলাইয়ে বাংলাদেশ সরকার ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। এরপর পের একবার ২ অগাস্ট নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকে অ্যাক্সেস বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমান বিধিনিষেধ মোবাইল ডেটা সংযোগগুলিকে লক্ষ্য করে বলে জানা গিয়েছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত পয়লা অগাস্ট দেশের ইন্টারনেটের গতি স্বাভাবিক জায়গায় ফিরে এসেছে। কিন্তু ফেসবুকে বিধিনিষেধ থাকায় লক্ষ লক্ষ মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারী ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছেন।
কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন হিংসার রূপ নেওয়ায় প্রথমে ১৭ অগাস্ট মোবাইলে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। তারপর ১৮ জুলাই থেকে ব্রডব্যান্ড পরিষেবার ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। তারপর পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলে ২৩ জুলাই ব্রডব্যান্ড পরিষেবা আংশিকভাবে ফেরানো হয়। তবে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা ২৮ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ ছিল।












Click it and Unblock the Notifications