Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

New PM in Nepal: তৃতীয়বারের জন্য নেপালের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন প্রচণ্ড! সোমবার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান

নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন পুষ্প কমল দাহাল। তিনি প্রচণ্ড নামেও পরিচিত। রবিবার তাঁকে তৃতীয়বারের জন্য নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে জারি করা বিবৃতিতে ব

নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন পুষ্প কমল দাহাল। তিনি প্রচণ্ড নামেও পরিচিত। রবিবার তাঁকে তৃতীয়বারের জন্য নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭৬-এর ধারা ২ অনুসারে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।

New PM in Nepal: তৃতীয়বারের জন্য নেপালের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন প্রচণ্ড! সোমবার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান

প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারী হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভের যে কোনও সদস্যের কাছে প্রধানমন্ত্রীর পদের দাবি জানাতে অনুরোধ করেছিলেন। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭৬-এর ধারা ২ অনুসারে তাঁকে দুই বা ততোধিক দলের সমর্থন নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের শর্তও দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে খবর, রবিবার বিকেল ৫ টায় সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে ৬৮ বছর বয়সী প্রচণ্ড দাবিপত্র জমা দেন। তারপরেই প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে জানানো হয়, সোমবার বিকেল ৪ টেয় নুতন প্রধানমন্ত্রী শপথ নেবেন।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, সিপিএন-মাওবাদী নেতা প্রচণ্ডের সঙ্গে সিপিএম-ইউএমএল চেয়ারম্যান কেপি শর্মা ওলি, রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির সভাপতি রবি লামিছনে এবং রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টির প্রধান রাজেন্দ্র লিংডন-সহ অন্য নেতারা প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। সেখানেই তারা প্রচণ্ডকে প্রধানমন্ত্রী করার দাবি তোলেন বলে জানা গিয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ওলির বাসভবনে একটি বৈঠক হয়। সেখানে ছোটদলগুলিকে নিয়ে সরকার গঠনে সম্মত হন প্রচণ্ড।

১৯৫৪ সালের ১১ ডিসেম্বর পোখরার কাছে কাস্কির ধিকুরপোখারিতে জন্মগ্রহণ করে প্রচণ্ড। তিনি প্রায় ১৩ বছর আন্ডারগ্রাউন্ডে ছিলেন। সশস্ত্র বিদ্রোগের অবসানের পর সিপিএন-মাওবাদীরা শান্তিপূর্ণ রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করার পরেই তিনি মূলধারার রাজনীতিতে যোগ দেন। প্রচণ্ড ১৯৯৬ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে নেপালে সশস্ত্র সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০০৬ সালের নভেম্বরে শান্তি চুক্তির মাধ্যমে সেই অধ্যায়ের শেষ হয়।

নেপালের সংসদে ২৭৫ জনের মধ্যে ১৬৫ জনের সমর্থন রয়েছে প্রচণ্ডের প্রতি। সরকার তৈরি করতে জরকার ১৩৮ জনের সমর্থন। প্রচণ্ডের প্রতি যেসব দলের সমর্থন রয়েছে, তাদের মধ্যে ৩২ জন সিপিএম-মাওবাদী, ৭৮ জন সিপিএন-ইউএমএল, আরএসপির ২০, আরপিপির ১৪ জন এবং জেএসপির ১২ জন জনমতের ৬ জন এবং নাগরিক উনমুক্তি পার্টির ৩ জন সদস্য রয়েছেন। নেপালের সংসদে নেপালি কংগ্রেস হল বৃহত্তম দল। তাগের আসন সংখ্যা ৮৯।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, নেপালের প্রধানমন্ত্রী এবং নেপালি কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট শের বাহাদুর দেউবার সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরে প্রচণ্ড পাঁচদলীয় জোট থেকে বেরিয়ে যান। রবিবার সকালে প্রচণ্ডের সঙ্গে আলোচনার সময় নেপালি কংগ্রেসের তরফে প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রী, দুই পদেরই দাবি করা হয়। যার জেরে দুদলের আলোচনা ভেস্তে যায়। এরপর প্রচণ্ড নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ওলির সঙ্গে আলোচনায় বসেন। সেখানে ওলির দল এবং অন্য নানা ছোটদলের সমর্থন আদায় করেন নেন প্রচণ্ড।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+