PM Modi at UNGA: মোদীর কন্ঠে রবি ঠাকুর! বিশ্বের মঞ্চে ভারতের বিকাশের বার্তা পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী
রাষ্ট্রসঙ্ঘে প্রথম হিন্দিতে বক্তব্য রেখে নজির গড়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী। সেই ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুধু মোদীই নয়, যদিও মোদী জমানার অন্যান্য মন্ত্রীরাও রাষ্ট্রসঙ্ঘে তাঁদের
রাষ্ট্রসঙ্ঘে প্রথম হিন্দিতে বক্তব্য রেখে নজির গড়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী। সেই ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুধু মোদীই নয়, যদিও মোদী জমানার অন্যান্য মন্ত্রীরাও রাষ্ট্রসঙ্ঘে তাঁদের বক্তব্য রেখেছেন হিন্দিতেই।
সেই তালিকাতে যেমন রয়েছেন প্রয়াত সুষমা স্বরাজ তেমনই রয়েছেন রাজনাথ সিংও। আসলে বিশ্বের মঞ্চে ভারতের সংস্কৃতি তুলে ধরাই ছিল মূল লক্ষ্য। তবে এবার সেই রাষ্ট্রপুঞ্জে বাংলা গানের লাইন উদ্ধৃত করে বিশ্বের মঞ্চে ভারতের সংস্কৃতিকে আরও একবার তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী।

বক্তব্যের শেষে নোবেলজয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা দিয়ে বিশ্বকে অগ্রগতির বার্তা দিলেন তিনি। পাঠ করলেন, শুভ কর্ম পথে ধরো নির্ভয় গান। সব দুর্বল সংশয় হোক অবসান।
আফগানিস্তান থেকে করোনা পরিস্থিতি। একটা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব। বিশেষ করে আফগানিস্তানের মাটিতে তালিবান রাজ ফিরে আসা ভারতের উদ্বেগ বাড়িয়েছে আরও। এই অবস্থায় রাষ্ট্রসঙ্ঘের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী কি বলেন সেদিকেই নজর ছিল গোটা বিশ্বের।
বিশেষ করে মোদী-বাইডেনের বৈঠকের পরেই শুক্রবার রাতে যেভাবে ইমরান খান তাঁর ভাষণে কাশ্মীর সহ বিভিন্ন বিষয়কে তুলে এনেছেন সেই অবস্থায় পাকিস্তানকে কি বার্তা মোদী দেন সেদিকেও নজর ছিল বিশ্বের রাজনৈতিক কারবারীদের।
নিরাশ করেননি। নাম না করে সন্ত্রাসবাদ সহ একাধিক ইস্যুতে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, যে দেশ সন্ত্রাসবাদকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করছে তাদের বুঝতে হবে যে সন্ত্রাসবাদ তাদেরও বিপদ ডেকে আনবে।
শুধু তাই নয়, আফগানিস্তান ইস্যুতে কার্যত নরমে-গরমে হুঁশিয়ারি দিতেও ছাড়লেন না প্রধানমন্ত্রী। তাঁর স্পষ্ট মন্তব্য, আফগানিস্তানের মাটি সন্ত্রাসবাদের জন্য যেন ব্যবহার না হয়। অথবা কোনও দেশ যেন সেখানকার অশান্ত পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে সন্ত্রাসবাদ ছড়ানোর চেষ্টা না করে। আর বলতে গিয়ে ভারতের নিরাপত্তার বিষয়টিও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর বক্তব্যের শুরু থেকেই চমক রেখেছিলেন তাঁর বক্তব্যে। নিজেকে একজন চা-ওয়ালার ছেলে তুলে ধরে বিশ্ব মঞ্চে সেই বক্তব্য তুলে ধরেন। পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেন তিনি। বলেন, অতিমারির মোকাবিলা করছে গোটা বিশ্ব।
এমন অতিমারি গত ১০০ বছরে আসেনি। তবে এই লড়াই লড়তে সবাইকে একজোট হওয়ার বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। আর এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে ভ্যাকসিনের কথা তুলে ধরেন প্রধাণমন্ত্রী। বলেন, বিশ্বের মধ্যে ভারত প্রথম ডিএনএ ভ্যাকসিন তৈরি করেছে।
শুধু তাই নয়, আগামীদিনে ভারত আবার ভ্যাকসিন রফতানি করবে বলেও বিশ্বের মঞ্চে বিশ্বকে বার্তা মোদীর। একই সঙ্গে বক্তব্যের শুরুতেই ভারত এবং ভারতের মানুষের বিকাশের কথা সংঘে তুলে ধরেন তিনি। মোদীর বক্তব্যে জায়গা পায় স্যাটেলাইট থেকে প্রযুক্তি-বিজ্ঞান। প্রায় ২০ মিনিট বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। আর তাতেই বিশ্বের মঞ্চে মন তিনি জিতে নিয়েছেন বলে দাবি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।












Click it and Unblock the Notifications