কোন ব্যাপারে রাজি মোদি ও জিনপিং, যাতে ঘুম উড়লো পাকিস্তানের
দেশ ছাড়ার আগে বলে গিয়েছিলেন, একেবারেই ঘরোয়া বৈঠক হবে। কোনও চুক্তি হবে না, থাকবে না কোনও যৌথ বিবৃতি, বড়সড় ঘোষণা। গত দুদিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং
দেশ ছাড়ার আগে বলে গিয়েছিলেন, একেবারেই ঘরোয়া বৈঠক হবে। কোনও চুক্তি হবে না, থাকবে না কোনও যৌথ বিবৃতি, বড়সড় ঘোষণা। গত দুদিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং একের পর এক 'ঘরোয়া বৈঠক' করেছেন। আর তার মধ্য়েই চিনা প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে আদায় করে নিয়েছেন এক গুরুত্বপূর্ণ সম্মতি বলে দাবি করেছে একটি সূত্র। সে খবর সত্যি হলে ঘুম উড়ে যাবে পাকিস্তানের।

ওই সূত্র জানাচ্ছে আফগানিস্তানে যৌথ ভারত-চীন অর্থনৈতিক প্রকল্প গ্রহণের জন্য একমত হয়েছেন দুই রাষ্ট্রনেতা। দুদিনের আলোচনায় এনিয়ে দুই নেতার মধ্যে সমঝোতা হয় বলে খবর। ঠিক হয়েছে পরবর্তী দিপাক্ষিক বৈঠকগুলিতে উভয় পক্ষের কর্মকর্তারা প্রকল্পটি উত্থাপন করবেন, এবং কিভাবে এই যৌথ উদ্য়োগ এগোবে তা নির্ধারণ করবেন।
গত কয়েকমাসে চীন পাকিস্তানের ওপর প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছে। তারও আগে আফগানিস্তান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করেছে পাকিস্তান আফগান তালিবানদের নিরাপদ আশ্রয় দেয়। সন্ত্রাস মোকাবিলায় তাদের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে পাকিস্তানকে সামরিক সাহায্য় দাওয়া বন্ধ করেছে আমেরিকা। আঞ্চলিক মিত্র হিসেবে তাদের এখন পছন্দ ভারত। এই অবস্থায় ভারতের মোকাবিলা করার জন্য় চিনের হাত ধরেছিল ইসলামাবাদ। ভারত-চিনের এই যৌথ উদ্য়োগ বাস্তবরূপ পেলে এটাই হবে যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানে চিনের প্রথম প্রকল্প।
অথচ গত ডিসেম্বরেই বেজিংয়ে চীন পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্য়ে ব্য়বধান ঘোচানোর উদ্য়োগ নিয়েছিল। দুদেশের বিদেশমন্ত্রীদের নিয়ে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে বসেছিলেন চিনের কর্তারা। বিতর্কিত চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিইসি -কে আফগানিস্তান পর্যন্ত সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা জানিয়েছিল সেই বৈঠকে। এখন চিন যদি ভারতের সঙ্গে হাত মিলিয়ে প্রকল্প গড়ে সেক্ষেত্রে সিপিইসি সম্প্রসারণের বিষয়টি প্রশ্নের মুখে পড়বে। পাশাপাশি তখন ভারতের দাবি মেনে পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকেও প্রকল্পের কাজ সরিয়ে নিতে পারে চিন।












Click it and Unblock the Notifications