বিশ্বে প্রথম ফাইজার ভ্যাকসিনই সম্পূর্ণ মার্কিনি অনুমোদন পেল, কিছু খুঁটিনাটি তথ্য একনজরে
ফাইজার-বায়োএনটেক কোভিড নাইন্টিন ভ্যাকসিন বিশ্বের প্রথম এমন ভ্যাকসিন যা আমেরিকার থেকে পেয়েছে 'সম্পূর্ণ' অনুমোদন। সোমবারই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই শটকে মান্যতা দিয়েছে। যেখানে ডেল্টার তাণ্ডবে রীতিমতো করুণ পরিস্থিতি গোটা বিশ্বে, সেখানে এই ভ্যাকসিন নিয়ে রীতিমতো কৌতূহল রয়েছে মানুষের মধ্যে।

ডেল্টা ভাইরাসের তাণ্ডবে কার্যত বিশ্বের একাধিক দেশে করোনা ত্রাস। এই পরিস্থিতিতে সারা বিশ্বে নতুন করে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে। রয়েছে নতুন কোনও স্রোতের ভয়াবহতা। যেখানে বহু মিলিয়ন মানুষ কোভিডের প্রবল দাপটের মাঝে ভ্যাকসিন নিয়েছেন, সেখানে অনেকেই কোভিড ভ্যাকসিন নিয়ে ফের একবার করোনার শিকার হয়েছেন। এমন রোগীর সংখ্যা বিশ্বে বহুজন রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন টিকা কতটা কাজ করবে তা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। ফাইজারের ক্ষেত্রে মার্কিনি এফডিএ জানিয়েছে, ফাইজার একটি মাইলস্টোন। আমেরিকার দাবি ফাইজার নিয়ে যে সমস্ত ডেটা সামনে এসেছে, তার উপর ভরসা করেই এই ডোজ দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৪০ হাজার মানুষের ওপর ফাইজারের টিকার কার্যকারিতা দেখা গিয়েছে। বহু দিন সময় নিয়ে এই টিকার কার্যকারিতার তথ্য সামনে আসতে শুরু করেছে। এর আগে, মার্কিন সেনার তরফে জানানো হয়েছে যে যত তাড়াতাড়ি ভ্যাকসিনের অনুমোদন হবে ,তত তাড়াতাড়ি তা নেওয়ার জন্য তারা মানুষকে এই ভ্যাকসিনের প্রতি উৎসাহিত করতে পারবে ও নির্দেশ দিতে পারবে। মার্কিন সেনার এই নির্দেশ মানতে বাধ্য সেদেশের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাইভেট বিজনেস হাউসগুলি।
এদিকে, আপৎকালীন ব্যবহারের জন্য ১২ বছরের নিচে শিশুদের ভ্যাকসিন আপাতত বিশ্বে একটিও নেই। বহু ভ্যাকসিনের ট্রায়াল হলেও তাদের অনুমোদন দেওয়া হয়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১২ থেকে ১৫ বছরের শিশুদের জন্য সম্পূর্ণভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ফাইজারকে। ফলে এরপর ফাইজার বালক বালিকাদের ভ্যাকসিনেশনের ক্ষেত্রে মান্যতা পেয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। মনে করা হচ্ছে ১২ বছরের নিচে যে সমস্ত শিশুরা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত কার্যকারী হতে পারে ফাইজার। জার্মানির বায়ো এন টেকের সঙ্গে আপাতত আলোচনা প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে ফাইজার। বায়ো এন টেকের সঙ্গে ৫০ মিলিয়ন ফাইজার ডোজের বিষয়ে কথা বলেছে ফাইজার। মর্ডানাকে অনুমোদন দেওয়ার পরই ফাইডার নিয়ে নিজের অবস্থানের কথা জানিয়েছে কেন্দ্র। নীতি আয়োগের তরফে জানানো হয়েছে, 'এই মুহূর্তে ভারতের কাছে রয়েছে চারটি ভ্যাকসিন কোভ্যাক্সিন , কোভিশিল্ড, স্পুটনিক, মর্ডার্না। এরপর ফাইজারের বিষয়ে আমরা ভাবনা চিন্তা শুরু করেছি। '












Click it and Unblock the Notifications