চিন গোপনে পরমাণু অস্ত্রশক্তিতে শান দিচ্ছে জোরদারভাবে! পেন্টাগনের রিপোর্টে কোন ইঙ্গিত
চিন গোপনে পরমাণু অস্ত্রশক্তিতে শান দিচ্ছে জোরদারভাবে! পেন্টাগনের রিপোর্টে কোন ইঙ্গিত
মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর মূল কেন্দ্র হল পেন্টাগন। এই পেন্টাগন হেডকোয়ার্টাসের তরফে এবার মার্কিন কংগ্রেসকে যে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে চিনের সামরিক শক্তি নিয়ে। পেন্টাগনের রিপোর্ট স্পষ্ট ইঙ্গিত করেছে যে লাদাখ পরিস্থিতি সামনে রেখেই চিন গোপনে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক আরও পোক্ত করছে। এই বার্তা যে ভারতের কাছে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ তা বলাই বাহুল্য। এছাড়াও একাধিক ইস্যুতে কার্যত দিল্লিকে সতর্ক করে বার্তা দিয়েছে পেন্টাগন।

পরমাণু শক্তি বাড়াচ্ছে চিন!
চিন নিজের পরমাণু শক্তির বিভিন্ন দিক আরও বেশি করে জোরালো করতে শুরু করে দিয়েছে। বেজিংয়ের গোপন অভিসন্ধির হদিশ পেতেই পেন্টাগন নিজের চাঞ্চল্যকর বার্তায় জানিয়েছে, ২০৩৫ সালের মধ্যে চিন ১০০ টি পরমাণু ওয়ারহেড বনিয়ে ফেলবে। যা বিশ্বের সমস্ত শক্তিধর দেশের মধ্যে বেজিংকে আরও শক্তিশালী করতে পারবে। এই দশকের মাঝামাঝি সময়ই বিশ্ব মানচিত্রে চিনের সামরিক শক্তি যে আলাদা মাত্রা নিতে পারে তা জানান দিয়েছে ওয়াশিংটন।

কোন জায়গা থেকে উদ্বেগ?
একদিকে শক্তি সঞ্চয় করে নিজের সামরিক সাম্রাজ্যকে কার্যত দ্বিগুণ করে দিয়েছে চিন। অন্যদিকে, তাদের আগ্রাসন রীতিমতো চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে দক্ষিণ এশিয়ার জন্য। দক্ষিণ এশিয়ায় ক্ষেত্রে দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের নৌবাহিনীর তেজ রীতিমতো ভাবাচ্ছে বাকি দেশগুলিকে। এদিকে, স্থলভাগে লালফৌজের চোখ রাঙানি বহু জমি অধিকার করতে চাওয়ার লক্ষ্য দিল্লি ,টোকিওকে রীতিমতো উদ্বেগে রেখেছে। এদিকে , জানা যাচ্ছে, আগামী ছয় বছরের মধ্যে চিন ৭০০ টি নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড তৈরি করে ফেলবে।

মার্কিন বনাম চিন
চিন যেখানে ১০০০ পরমাণুওয়ার হেডের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, সেখানে আমেরিকা ৩৭৫০ টি ওয়ারহেড নিজের দেশের জমিতে রেখেছে। উল্লেখ্য, আমেরিকা জানিয়েছে এই সংখ্যাকে কোনও মতেই বাড়িয়ে চলার ইচ্ছা নেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। যেখানে চিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে যেকোনও মুহূর্তে চ্যালেঞ্জ দিতে পারে বলে দাবি করে থাকে, সেখানে এই পরমাণু শক্তি বিষয়ক নির্মাণ রীতিমতো ভয়াবহ দিকে যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। উল্লেখ্য, এই পরিস্থিতিতে চিন আলাদা করে হিমালয় সংলগ্ন এলাকায় নিজের কায়া বাড়িয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন নির্মাণ কাজের হাত ধরে। সেই জায়গা থেকে অপটিক ফাইবার নিয়ে চিনের গতিবিধি নিয়ে পেন্টাগনের রিপোর্ট যেমন সতর্কবার্তা দিয়েছে, তেমনই এই পরমাণু বিষয়ে চিনের পদক্ষেপও বেশ তাৎপর্যবাহী অগ্রগতি বলে মনে করছেন অনেকেই।

তাইওয়ান নিয়ে উদ্বেগ
এদিকে যেভাবে লালফৌজ আকাশপথে বারবার তাইওয়ানের আকাশ সীমায় প্রবেশ করছে, ও তাইওয়ানের সঙ্গে আমেরিকার সুসম্পর্ককে মেনে নিতে পারছে না, তাতে রীতিমতো উদ্বেগে রয়েছে আমেরিকা। পেন্টাগনের রিপোর্টে সেকথা জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications