ভেঙে দেওয়া হয়েছে সংসদ! সংকট বিধ্বস্ত পাকিস্তানের ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন
পাকিস্তানে চলতি রাজনৈতিক অস্থিরতা ও আর্থিক সংকটের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সুপারিশে বুধবার ভেঙে দেওয়া হয়েছে, পাকিস্তানের সংসদ। এর ফলে সেখানে সাধারণ নির্বাচন নিয়ে আশা দেখা দিয়েছে। সংসদ ভেঙে দেওয়ার পরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের পথ প্রশস্ত হয়েছে। তবে সেই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না ইমরান খান।
২০২২ সালে পদচ্যুতির পরে ইমরান খানের বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলা দায়ের করা হয়। এরপর বেশ কয়েকটি মামলায় দুর্নীতির দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরে গত সপ্তাহের শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট বিদায়ী সরকারকে নতুন অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের জন্য তিন দিন এবং সাধারণ নির্বাচনের জন্য ৯০ দিন সময় দিয়েছেন। যদিও নির্বাচন আগামী বছর পর্যন্ত পিছিয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিদায়ী সরকার।
বর্তমানে নদগ সংকটে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি পাকিস্তানে। সেই পরিস্থিতিতে নির্বাচন স্থগিত করে নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে পারে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। পাকিস্তানের অস্থিতিশীলতা নিয়ে সতর্ক করেছে আমেরিকাও।
ইমরান খানেক তেহরিক-ই-ইনসাফ ২০১৮ সালে সেদেশে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচনে সব থেকে বেশি আসন জয় করেছিল। সেই সময়ই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন ইমরান খান। তবে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে সেখানকার সামরিক বাহিনী তাতে হস্তক্ষেপ করে কিনা এখন সেটাই দেখার। কেননা ১৯৪৭-এ স্বাধীনতার পর থেকে সেনাবাহিনী তিনটি অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন ইমরান খানের জনপ্রিয়তা এবং ক্ষমতাচ্যুত হওয়া সামরিক বাহিনীরা দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল। ইমরান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়েছিলেন।য তিনি অভিযোগ করেছিলেন, সামরিক বাহিনী রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করছে। নভেম্বরে তাঁর পায়ে গুলি লাগার ঘটনায় এক গোয়েন্দা কর্তাকে নিশানা করেছিলেন, বলেছিলেন তাঁকে হত্যার চেষ্টা করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications