পাকিস্তান এবার 'ধর্মনিরপেক্ষ সন্ত্রাস' নিয়ে কাশ্মীরে রক্তগঙ্গা বইয়ে দিতে তৈরি! কী ঘটছে
পাকিস্তান এবার 'ধর্মনিরপেক্ষ সন্ত্রাস' নিয়ে কাশ্মীরে রক্তগঙ্গা বইয়ে দিতে তৈরি! কী ঘটছে
অক্টোবর মাসে শ্রীনগর সিটিতে একটি গ্রেনেড ছোঁড়া হয়েছিল গত বছর। যে জঙ্গির নাম উঠে এসেছিল, সে দ্য রেসিসটেন্স ফ্রন্টের সদস্য। বলে জানা যায়। এরপরই খোঁজ শুরু হয় 'দ্য রেসিসটেন্স ফ্রন্ট' নিয়ে। জানা যায় পাকিস্তানের লস্কর ই তৈবা নতুনভাবে এসেছে কাশ্মীরে এই নামে। আর এবার এই সন্ত্রাসবাদের আঙিনায় পাকিস্তানে নতুন করে হাতিয়ান সাজিয়ে বসেছে।

ধর্ম নিরপেক্ষতা ও সন্ত্রাস
এবার আর ধর্ম নয়, কাশ্মীরে রক্তক্ষয়ী হামলা চালাতে ধর্মনিরপেক্ষতাকেই হাতিয়ার করে এগোচ্ছে পাকিস্তান। তাই লস্কর ই তৈবা ইসলামের ছত্রছায়া মুছে দিয়ে 'দ্যা রেসিসটেন্স ফ্রন্ট' নামে কাশ্মীরে আত্মপ্রকাশ করছে। কাশ্মীরের সাম্প্রতিক কিছু এনকাউন্টার এই মর্মে আরও প্রমাণ দিয়েছে।

প্রতিশোধের আগুন ও পাকিস্তান!
কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা ভারত তুলে নিলেও পাকিস্তান কিছু করে উঠতে পারেনি। যা ইমরানের কাছে অসহনীয় হয়েছিল। ফলে সন্ত্রাসকে নতুন মোড়ক দিতে প্রস্তুত ছিল তারা। র সেই কারণেই পুরনো জঙ্গি গোষ্ঠীকে নতুন নাম দিয়ে কাশ্মীরে উস্কানি ছড়াতে ব্যস্ত পাকিস্তান।

কাশ্মীর থেকে পাকিস্তানে গিয়ে প্রশিক্ষণ!
উল্লেখ্য, বৈধ ভিসা নিয়ে ওয়াঘা সীমান্ত দিয়ে পাকিস্তানে গিয়েছিল কাশ্মীরের কিছু যুবক। ভারতের চোখে ধুলো দিয়ে তারা সেখানে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নেয়। ওপ পরে পাক সীমান্ত দিয়ে কাশ্মীরে আসে। এরা সকলেই 'দ্যা রেসিসটেন্স ফ্রন্ট' এর সদস্য। লস্করের হয়ে এই ফ্রন্টই এখন কার্যকরী ভূমিকা নিয়েছে।

জইশকে ঘিরে উদ্বেগ!
ভারতীয় গোয়েন্দারা জানতে পেরেছিলেন, কাশ্মীরের জইশ কমান্ডার আব্দুল রউফ আসগারের সঙ্গে পাকিস্তানের গুপ্তচর বাহিনী আইএসআই-র অফিসাররা । সেখানেই স্থির হয়েছে ১১ মে ভারতের ভূস্বর্গ কাশ্মীরে হামলা করার।












Click it and Unblock the Notifications