পাক অধিকৃত কাশ্মীরে চিনের থাবা বসতে চলেছে! 'রাস্তা খুঁড়ছে' পাকিস্তান নিজেই
পাক অধিকৃত কাশ্মীরে চিনের থাবা বসতে চলেছে! 'রাস্তা খুঁড়ছে' পাকিস্তান নিজেই
ইমরান জানিয়েছেন, 'পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ চিন', আর চিন, নেপাল ও আফগানিস্তানের উদ্দেশে জানিয়েছিল 'পাকিস্তানের মতো হও'। এই দুই বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট দক্ষিণ এশিয়ায় কীভাবে বিস্তারবাদকে নেশায় পরিণত করে ফেলেছে চিন। যেখানে মধুর বাক্যে কাজ হচ্ছে না,সেখানে সেনার পেশীবলে দকলদারি. আর বাকি জায়গায় আর্থিক দাপটে দখলদারি জারি রেখে দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রমাগত আস্ফালন বাড়িয়ে যাচ্ছে চিন। আর পাকিস্তানের বুকে চিনকে ঢোকানোর রাস্তা পরিষ্কার করে রাখলেন ইমরান নিজেই।

'পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ চিন'
ইমরান খান বুধবারই জানান দিয়েছিলেন যে পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ চিন। আর সেই সুরে সৌদির ধমক পর্ব কাটিয়ে এবার চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসতে করোনার আঁতুরঘর চিনে সফর করছেন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী কুরেশি।

ইমরানের বড় বার্তা
এরপর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সাফ জানিয়েছেন , সৌদি আরবে পাকিস্তানের সেনা প্রধানকে নিয়ে যা রটেছে তা ঠিক নয়। আর এই বার্তার পর মুহূর্তেই ইমরান জানিয়েছেন, 'পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ চিনের সঙ্গে বাঁধা, চিনেরও প্রয়োজন পাকিস্তানকে।' উল্লেখ্য, সৌদি আরবের থেকে পাকিস্তানের ধার করা টাকার শোধ দিয়ে দিয়েছে চিন। আর এরপর থেকে চিনের সঙ্গে সখ্যতায় মত্ত পাকিস্তান।

থাবা কষাচ্ছে চিন!
এদিকে, ইমরান যখন চিনের সখ্যতায় মত্ত তখন, পাকিস্তানের বুকে ধীরে ধীরে থাবা কষাতে শুরু করেছে চিন। সিপিইসি বা চিন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডরের হাত ধরে এশিয়ার বৃহত্তর সীমান্ত পার রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের চিন ও পাকিস্তান রয়েছে। পাকিস্তান দেশের সর্বকালীন বেশি পরিমাণ অর্থ এতে বিনিয়োগ করেছে। ৬.৮ বিলিয়নের এই প্রজেক্ট ইমরানের কাছে বড় স্বপ্ন।

চিন ও সিপিইসি সুবিধা
এদিকে, সিপিইসির হাত ধরে চিনের জিনজিয়াং থেকে পাকিস্তানের বালুচিস্তানের গদর পোর্ট পর্যন্ত বিস্তার করা হচ্ছে সংযোগ। যা কার্যত আগামী দিনে চিনকে লাভবান বেশি করবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের।

পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ও চিন
পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের গিলগিট বালতিস্তান এলকা পর্যন্ত এই সিপিইসির আওতায় রাস্তা নির্মাণের প্রকল্প রয়েছে। উল্লেখ্য, এই পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর যে ভারতের তা বহুদিন দিল্লি দাবি করেছে। তবে তার নিয়ন্ত্রণ রেখেছে পাকিস্তান। আর সিপিইসির হাত ধরে সেই বিতর্কিত জায়গা পর্যন্ত পৌঁছে এবার থাবা বসানোর দিকে নজর রেখেছে চিন। পাকিস্তান নিজেই এই রাস্তা ধিরে ধিরে খুঁড়েছে। দাবি ওয়াকিবহালমহলের। আর্থিক দায়ে পড়ে চিনের হাতে এভাবে ময়দান পাকিস্তান ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications