পাকিস্তানকে তুলোধনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের! বালাকোট এয়ারস্ট্রাইক ঘিরে তোলপাড়
চলতি বছরে বালাকোটে ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ারস্ট্রাইকের পর পাল্টা ভারতের আকাশ সীমার মধ্যে ঢুকে যায় পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান এফ ১৬। মার্কিন মুলুক থেকে নেওয়া পাকিস্তানি বায়ুসেনার এই বিমান ভারতের আকাশ সীমায় ঢুকতে দেখেই তাকে তাক করে নিশানা লাগায় ভারতীয় বায়ুসেনাও। যা প্রমাণ করে যে মার্কিনি যুদ্ধবিমানের অপব্যবহার করেছে পাকিস্তান। এরপরই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে নয়া পদক্ষেপ।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তুলোধনা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফে একটি 'লিখিত' ভর্ৎসনা পৌঁছেছে ইসলামাবাদের কাছে। সেখানে সাফ জানতে চাওয়া হয়েছে , যে কেন বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের পর কেন পাকিস্তান এই বিমানের অপব্যবহার করে? তবে মার্কিনি চিঠিতে ভারতীয় আকাশ সীমায় এফ ১৬ এর ঢোকা নিয়ে কোনও প্রসঙ্গ উত্থাপন করা হয়নি।

মার্কিন মুলুক কী জানিয়েছে?
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফে জানানো হয়েছে, এফ ১৬ বিমানকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া, সেখানে অপরেট করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মোটেও খুশি নয়। মার্কিনি এফ ১৬ ও অ্যামরম মিসাইলের এই অপব্যবহার ভালোভাবে ট্রাম্প প্রশাসন যে নেয়নি তা চলতি বছরের অগাস্টে ইসলামাবাদকে জানিয়ে দেওয়া হয়।

ভারতের আহ্বানে সায় পাকিস্তানের
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের পর ভারতের আকাশ সীমায় ঢুকে পড়ে পাকিস্তানি বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান। পাল্টা উপত্যকার আকাশে পাক বিমানকে ধাওয়া করে ভারতীয় বায়ুসেনা। এই 'ডগ ফাইট' ঘিরে তুমুল উত্তেজনা দেখা যায় দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক মহলে। এরপর ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়ে দেয়, যে কিভাবে পাকিস্তান মার্কিনি যুদ্ধবিমান এফ ১৬ এর অপব্যবহার করছে। যে ডাকে কার্যত সারা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

ভারতীয় বায়ুসেনা প্রমাণ করে এফ ১৬ এর অস্তিত্ব
ভারতীয় বায়ুসেনা এরপরই একটি অ্যামরাম মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করে জম্মুর রজৌরি সেক্টর থেকে। যা প্রমাণ করে দেয় যে সেখানে পাকিস্তানি এফ ১৬ বিমান হামলা চালিয়েছে। আর এই প্রমাণের তথ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেওয়া হয়।












Click it and Unblock the Notifications