কর্তারপুর করিডোর উদ্বোধনের দিন পূণ্যার্থীদের জন্য বিশেষ 'ছাড়'-এর কথা জানালেন পাক প্রধানমন্ত্রী
৯ নভেম্বর খুলে যাচ্ছে কর্তারপুর করিডোর। আর প্রথমদিন শিখ তীর্থযাত্রীদের থেকে কোনও 'ফি' নেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
৯ নভেম্বর খুলে যাচ্ছে কর্তারপুর করিডোর। আর প্রথমদিন শিখ তীর্থযাত্রীদের থেকে কোনও 'ফি' নেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। বহুদিন ধরেই পাকিস্তানের ধার্য করা ২০ আমেরিকান ডলারের সার্ভিস চার্জের আপত্তি জানিয়ে এসেছিল ভারত ও সাধারণ তীর্থযাত্রীরা। পুণ্যার্থীদের দাবি মেনে গুরু নানকের ৫৫০তম জন্মবার্ষিকীর তিনদিন আগেই পাকিস্তানের কর্তারপুর সাহিব গুরুদ্বার খুলে দেওয়া হবে সর্বসাধারণের জন্য। পাশাপাশি পূণ্যার্থীদের কর্তারপুর করিডোর দিয়ে যেতে হলে পাসপোর্ট লাগবে না বলেও জানিয়ে দেন পাক প্রধানমন্ত্রী।

ইমরানের বক্তব্য
ইমরান খান এই বিষয়ে বলেন, "কর্তারপুরে আসা ভারতীয় পূণ্যার্থীদের জন্য আমি দুটি নিয়ম শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যে কোনও উপযুক্ত পরিচয়পত্র থাকলেই তারা কর্তারপুর যেতে পাড়বেন। তাদের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট বাধ্যতামূলক হবে না। আর তীর্থের দশ দিন আগে তাদের নথিভুক্ত হতে হবে না। পাশপাশি গুরুজূর ৫৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে খুলে দেওয়া হচ্ছে এই করিডোর। সেদিন কোনও পুণ্যার্থী থেকে সার্ভিস চার্জ নেওয়া হবে না।"

৯ নভেম্বর উদ্বোধন কর্তারপুর করিডোরের
৯ নভেম্বর পাকিস্তানের তরফে কর্তারপুর করিডোর উদ্বোধন করবেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সেদিনই ভারতের দিক থেকে করিডোরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভারতের তরফে ৫৭৫ জন পূণ্যার্থীর তালিকা পাকিস্তানের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই পূণ্যার্থীরা জাঠা করে কর্তারপুর করিডোর দিয়ে পাকিস্তানের গুরুদ্বার কর্তারপুর সাহিব-এ যাবেন সেদিন।

ভারতের তরফে হাইপ্রোফাইল প্রতিনিধিরা যাবেন
এদিকে ভারতের তরফ থেকে এক প্রতিনিধি দলেরও সেদিন কর্তাপুরে যাওয়ার কথা। ভারতের প্রতিনিধিদলের তালিকায় নাম রয়েছে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রহদীপ পুরি, হরসিমরাত কাউর বাদল, পঞ্চাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং। এছাড়াও তালিকায় রয়েছেন বহু সাংসদ এবং বিধায়ক। প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার তথা পঞ্জাবের কংগ্রেস বিধায়ক নভজ্যোৎ সিং সিধুকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছে পাকিস্তান সকরার।

গুরু নানক জীবনের শেষ ১৮ বছর কাটিয়েছিলেন কর্তারপুরে
ডেরা বাবা নানক পাকিস্তানের পাঞ্জাবের নারোওয়াল জেলায় অবস্থিত। শিখ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা গুরু নানক জীবনের শেষ ১৮ বছর সেখানে কাটিয়েছিলেন। চার কিলোমিটার দীর্ঘ কর্তারপুর করিডোর সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খোলা থাকবে। যে তীর্থযাত্রীরা সকালে রওনা হবেন, তাঁদের ফিরতে হবে সেদিনের মধ্যেই। সারা বছরই করিডোর খোলা থাকবে। যদি কোনও দিন বন্ধ থাকে তা জানিয়ে দেওয়া হবে আগে।












Click it and Unblock the Notifications