কর্তারপুর খোলার পিছনে পাকিস্তানের পৈশাচিক অভিসন্ধি রয়েছে, দাবি সমাজকর্মী মির্জার
কর্তারপুর করিডর খুলে দেওয়ার পেছনে পাকিস্তানের কোনও পৈশাচিক অভিসন্ধি রয়েছে। এরকমই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের সমাজকর্মী আমজাদ মির্জা। গ্লাসগোর বাসিন্দা আমজাদ জানান, কাশ্মীর সীমান্তে পাকিস্তান তাদের শক্ত নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছে এবং ভারতের শান্তি ও সম্প্রীতির বিঘ্ন ঘটাতে নতুন কোনও ক্ষেত্র চাইছে।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আমজাদ মির্জা বলেন, 'পাকিস্তান কেন এখনই এই সিদ্ধান্ত নিল? ৭৩ বছর আগে কেন পাকিস্তান এই কাজটি করেনি? কারণ কাশ্মীরের প্রবেশপথ যেখান দিয়ে সন্ত্রাস ছড়াতো তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে, তাই তারা কর্তারপুর করিডর খুলল। এর ফলে দেশের প্রকৃত শাসক পাকিস্তানী সেনাবাহিনী সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা হারিয়ে ফেলেছে।’
তিনি আরও বলেন যে, 'কর্তারপুর করিডরের মাধ্যমে খলিস্তানী চরমপন্থীদের ব্যবহার করে পাঞ্জাবের শান্তি–সম্প্রীতি নষ্ট করবে।’ তিনি প্রশ্ন তোলেন যে মানুষের ব্যাপারে এতই যদি ভাবে তাহলে পাকিস্তান লাদাখ ও কাশ্মীরের রুট খুলতে রাজি নয় কেন। এ বছরের ৯ নভেম্বর কর্তারপুর করিডর উদ্বোধন হয়। ভারতীয় পুণ্যার্থীরা কর্তারপুর সাহিব গুরুদ্বারে ভিসা ছাড়আই প্রবেশ করতে পারবে।
অবৈধভাবে দখল করা পাক অধিকৃত কাশ্মীর ও গিলগিট বালিতিস্তানে পাকিস্তানের শাসনের ফলে মানুষের দুর্দশা বেড়েছে, জানান আজমির। তিনি বলেন, '২৬টি দলের জোট পিপল’স ন্যাশনাল জোট যখন সিদ্ধান্ত নেয় যে মুজাফ্ফরাবাদে গিয়ে তাঁদের সমস্যা তুলে ধরবে, তাঁদের ওপর নির্মমভাবে লাঠিচার্জ করা হয়। পুলিশে যে পেটাচ্ছে তার ভিডিও রয়েছে সব জায়গায়। এই ঘটনায় চারজনের মৃত্যু হয়, ১৫০ জনকে গ্রেফতার করা হয় এবং ১০০ জন ওই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।’
আজমির মির্জা আরও জানান যে ইসলামাবাদ জানে যে ২২ অক্টোবর পাক অধিকৃত কাশ্মীরবাসী তাঁদের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল যে তাঁরা আর পাকিস্তানের অধীনে বাস করতে পারবে না, তাঁরা তাঁদের বন্ধু খুঁজে নেবে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী তাঁরই উত্তরসূরীদের মতো আরও বেশি নিষ্ঠুর ও দমনকারী প্রমাণিত হয়েছেন, যিনি পাক অধিকৃত কাশ্মীরবাসীর ওপর অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন।












Click it and Unblock the Notifications