বিষাক্ত ও ভুয়ো খবর প্রচারে অভ্যস্ত তারা, রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে আক্রমণ ভারতের
ফের রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে আক্রমণ ভারতের। আন্তর্জাতিক স্তরে কাশ্মীর ইস্যু উত্থাপন করায় পাকিস্তানকে এক হাত নিলেন রাষ্ট্রসংঘে নিজুক্ত ভারতের উপ-দূত নাগারাজ নাইডু। পাকিস্তানের বিষোদগার উগরে দিয়ে তিনি বলেন, 'পাকিস্তান বিষ প্রয়োগ করে এবং মিথ্যা বর্ণনার প্রচার করে।'

নাইডু বলেন, 'ঠিক যেমন কোনও মাছ জলে থেকে অভ্যস্ত, তেমনি রাষ্ট্রসংঘের একজন প্রতিনিধি বারবার ঘৃণাপূর্ণ বক্তৃতা দিতে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছেন। আর তিনি আবারও ঘৃণাপূর্ণ বক্তৃতা রেখেছেন। এই প্রতিনিধি যতবার কথা বলেন, ততবার তা থেকে বিষাক্ত মিথ্যা বিবরণ বেরিয়ে আসে।'
তিনি আরও বলেন, 'পাকিস্তান নিজেদের তৈরি করা বিপর্যয় মোকাবেলা করতে অন্য বিষয়ে মিথ্যা প্রচার করে। ভুয়ো বিভ্রান্তিমূলক গল্প ব্যবহারের মাধ্যমে তারা অনবরত মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের উচিত আত্মবিশ্লেষণের মাধ্যমে নিজেদের ভুল শুধরে মিথ্যাচার থেকে দূরে এসে স্বাভআবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার দিকে নজর দেওয়া।'
প্রসঙ্গত, নাইডুর এই মন্তব্য ১৭ জানুয়ারিতে পাকিস্তানের মন্ত্রী মুনির খানের দেওয়া এক টিভি সাক্ষাৎকারের পরিপ্রেক্ষিতে। সেদিন মুনির দাবি করেছিলেন যে খুব শীঘ্রই রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কাশঅমীর প্রসঙ্গে ভারতের উপর চাপ প্রয়োগ করবে এবং কাশ্মীরে বল প্রয়োগ করা থেকে ভারতকে বিরত করবে।
এর কয়েকদিন আগেই রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কড়া জবাব দিয়েছিল ভারত। রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী সদস্য সঈদ আকরাউদ্দিন পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে তুলোধনা করে বলেছিলেন, 'অপপ্রচার বন্ধ করুক পাকিস্তান। যে ক্ষতি, যে অস্বস্তি তারা তৈরি করেছে তা ঠিক করার চেষ্টা করুক।' তিনি আরও বলেছিলেন, 'প্রতিনিয়ত জঙ্গি নেটওয়ার্কগুলি যে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না নিরাপত্তা পরিষদ। জঙ্গিগোষ্ঠীগুলিকে মদত দিচ্ছে যে রাষ্ট্রগুলি তারও মোকাবিলা সম্ভব হচ্ছে না। তাদের এই অক্ষমতার জন্যই পরিচয়হীনতায় ভুগছে । পাশাপাশি তাদের প্রাসঙ্গিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।'












Click it and Unblock the Notifications