সন্ত্রাসবাদ নিয়ে পাকিস্তানকে সময়সীমা বেঁধে দিল আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা
সন্ত্রাস দমনে আবারও কড়া বার্তা পাকিস্তানকে। এবার জঙ্গিদের অর্থসাহায্য বন্ধ না করলে নেওয়া হবে কড়া ব্যবস্থা এমনই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা। অক্টবর পর্যন্ত পাকিস্তানকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তাঁর
সন্ত্রাস দমনে আবারও কড়া বার্তা পাকিস্তানকে। এবার জঙ্গিদের অর্থসাহায্য বন্ধ না করলে নেওয়া হবে কড়া ব্যবস্থা এমনই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা। অক্টবর পর্যন্ত পাকিস্তানকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তাঁরা। ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (এফএটিএফ) জানিয়েছে পাকিস্তানকে এরজন্য প্রথমে জানুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দেখা গিয়েছে সেই সময়সীমার মধ্যে পাকিস্তান জঙ্গিদের আর্থিক সাহায্য প্রদানে তেমন কোনও কড়া পদক্ষেপ করে উঠতে পারেনি। তার পরের সময়সীমা ছিল মে মাস পর্যন্ত। সেই সময়সীমার মধ্যেও কাজ করে উঠতে পারেনি। তাই ২০১৯-এর অক্টোবর মাস পর্যন্ত চরম সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানকে।

আমেরিকার ফ্লোরিডায় বৈঠক বসেছিল এফএটিএফের। সেখানেই পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে কড়া সমালোচনা করা হয়। এবং এই চরম সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তারপরেই বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে অক্টোবরের মধ্যে সন্ত্রাসের অর্থ সাহায্য বন্ধ করতে না পারলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে।
এমনিতেই এফএটিএফের গ্রে তালিকায় রয়েছে পাকিস্তান। সন্ত্রাসে মদত, অর্থসাহায্য, দুর্নীতি সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। ভারত যদিও বারবারই পাকিস্তানকে কালো তালিকা ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে। ভারতের উপর একের পর এক জঙ্গি হামলার ঘটনায় পাকিস্তানের মদত রয়েছে দাবি করে কাজাখস্তানে এসসিও সামিটে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এমনকী কয়েকদিন আগেও পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দেওয়া শান্তি আলোচনার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন মোদী। সন্ত্রাস বন্ধ না হলে পাকিস্তানের সঙ্গে কোনও আলোচনায় ভারত বসবে না বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন তিনি। এই সন্ত্রাসবাদ নিয়ে এক প্রকার কোনঠাসা হয়ে রয়েছে পাকিস্তান। মুখ ফিরিয়েছে আমেরিকা, চিনও।












Click it and Unblock the Notifications