মোদীর ঘুম উড়িয়ে যুদ্ধবিমান সারাতে পাকিস্তানকে অর্থ সাহায্য বাইডেন প্রশাসনের
মোদীর ঘুম উড়িয়ে যুদ্ধবিমান সারাতে পাকিস্তানকে অর্থ সাহায্য বাইডেন প্রশাসনের
বড় ঝটকা ভারতের জন্য! F-16 যুদ্ধবিমানগুলির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পাকিস্তানকে অর্থ সাহায্য করবে বাইডেন প্রশাসন। প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পাকিস্তানকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত আমেরিকার। ভারতীয় মুদ্রায় যা ৩৬০০ কোটি ডলারের কাছাকাছি। মার্কিন বিদেশ দফতর ইতিমধ্যে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে। সামরিক পর্যবেক্ষকরা জানাচ্ছেন, মার্কিন কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে চাপ বাড়াবে আমেরিকার উপর। এমনকি ভারত এবং মার্কিন সম্পর্কে এর প্রভাব পড়বে বলেও আশঙ্কা পর্যবেক্ষকদের একাংশের।

ট্রাম্পের উলটোপথে বাইডেন -
সে দেশের বিদেশ দফতর বলছে, এই অর্থ সাহায্য রক্ষা ক্ষেত্রে পাকিস্তানের বর্তমান প্রয়োজনীয়তাকে অনেকাংশেই পূরণ করবে। বলে রাখা প্রয়োজন, ২০১৮ সালে ট্রাম্প পাকিস্তানকে দেওয়া সমস্ত প্রতিরক্ষা এবং সুরক্ষা সাহায্য বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন। কার্যত সেখানে দাঁড়িয়ে ট্রাম্পের উল্টো পথেই হাঁটলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বলে রাখা প্রয়োজন, ট্রাম্পের পর এটিই সবথেকে বড় সুরক্ষা সাহায্য আমেরিকার তরফে।

৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন
মার্কিন কংগ্রেসের তরফে এক নির্দেশিকাতে এই বিষয়ে স্পষ্ট ভাবে জানানো হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, F-16 যুদ্ধবিমানগুলির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পাকিস্তানকে অর্থ সাহায্য করা হচ্ছে। আর তা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য 450 মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন বলে মনে করছে আমেরিকা। আর সেই সংক্রান্ত সরঞ্জাম ইসলামাবাদকে দেওয়া হবে বলেও মার্কিন কংগ্রেস সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানানো হয়েছে। আমেরিকা মনে করছে সন্ত্রাস দমনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছে। শুধু তাই নয়, সন্ত্রাস বিরোধী লড়াইয়ে পাকিস্তানের ক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজন আছে বলেও মনে করছে আমেরিকা। আর সব দিক ভেবেই নাকি এই সিদ্ধান্ত বলে দাবি মার্কিন বিদেশ দফতরের।

নজর রাখছে নয়াদিল্লি
বলে রাখা প্রয়োজন, ইউক্রেন এবং রাশিয়ার যুদ্ধে নিরপেক্ষ থেকেছে ভারত। এমনকি গোটা বিশ্ব যখন রাশিয়াকে একঘরে করতে মরিয়া ছিল সেই সময় পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে মোদী। যা মোটেই ভালো চোখে নেয়নি বাইডেন প্রশাসন। এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। আর সেই কারণে ভারতকে চাপে রেখে পাকিস্তানকে এই অর্থ সাহায্য বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও অপর অংশের মতে, চিনকে ঠেকাতে ভারতকে প্রয়োজন আমেরিকার। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ভারতের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। তবে সূত্রে খবর, পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে নয়াদিল্লি। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও নয়াদিল্লির খবর বলে মনে করা হচ্ছে।

F-16 অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান
বলে রাখা প্রয়োজন, পাকিস্তানের হাতে থাকা F-16 অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান। যেগুলি একটা সময় আমেরিকাই ইসলামাবাদের হাতে তুলে দিয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications