সমাধানের পথ নেই IMF-হাতে! পাকিস্তান 'ইতিমধ্যেই ডিফল্টার', বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফের
পাকিস্তানে আর্থিক সংকট, খাদ্য সংকটের কথা কমবেশি সকলেরই জানা। কিন্তু পাকিস্তানের সরকারি পর্যায়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী যা বললেন, তাতে পাকিস্তান দেউলিয়া হবে নয়, হওয়ার জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে।
পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংকটের কথা সবারই জানা। পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে সেখানকার খাদ্য ও জ্বালানির সংকটের তথ্য বিশ্ববাসীর সামনে এসেছে। দেশটি দেউলিয়া হয়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করেছিলেন অনেকে। তবে এর মধ্যেই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ জানিয়েছেন, পাকিস্তান ইতিমধ্যেই ডিফল্টার। যা অন্য অর্থে দেউলিয়ারই নামান্তর। এর জন্য তিনি দেশের সরকারি সংস্থা, আমলাতন্ত্র এবং রাজনীতিবিদদের দায়ী করেছেন। পাকিস্তানে আইন ও সংবিধান না মানার অভিযোগও তিনি করেছেন।

সে দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে পাকিস্তানকে নিজের পায়ে দাঁড় করানো অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন সেদেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। নিজের শহর শিয়ালকোটে একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, তারা একটি দেউলিয়া দেশে বাস করছেন। সেখানকার সংবাদ মাধ্যম এমনটাই উল্লেখ করেছে।
খাজা আসিফ বলেছেন সমস্যার সমাধানের পথ রয়েছে দেশের মধ্যেই। আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার পাকিস্তানের সমস্যার সমাধান করতে পারবে না বলেও মনে করেন তিনি। উল্লেখ করা প্রয়োজন সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান আইএমএফের সঙ্গে ঋণ নিয়ে কথা চালায়। তবে সেখানকার নানা শর্তের কারণে সেই ঋণ নেওয়া এখনও পাকিস্তানের পক্ষে সম্ভবপর হয়নি।
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী নিজের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে বলেছেন, তাঁর বেশিরভাগ সময় কেটেছে বিরোধী শিবিরে। গত ৩২ বছর ধরে তিনি দেশের রাজনীতিকদের অপদস্থ হতে দেখেছেন। পূর্বতম সরকারকে কটাক্ষ করতে গিয়ে তিনি বলেছেন, আড়াই বছর আগে পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদীদের আনা হয়েছিল, সেই কারণে দেশে এখন সন্ত্রাসবাদীদের দাপাদাপি। শুক্রবার করাচিতে পুলিশ অফিসে হামলার কথা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি দেশের নিরাপত্তরক্ষীদের কাজের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, নিরাপত্তা বাহিনী সাহসিকতার সঙ্গে হামলাকারীদের মোকাবিলা করেছে।
খাজা আসিফ এমন একটা সময়ে এই মন্তব্য করেছেন যখন, পাকিস্তান আর্থিক সংকটের মধ্যে রয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি কয়েক দশকের মধ্যে সব থেকে বেশি। অন্যদিকে ঋণ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডারও প্রায় শেষে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার ৩ বিলিয়ন ডলারের আশপাশে রয়েছে। যা দিয়ে ১০ থেকে ১৫ দিনের আমদানির খরচ মেটানো সম্ভব।












Click it and Unblock the Notifications