Donald Trump: একা ট্রাম্প নন এর আগেও যে মার্কিন প্রেসিডেন্টদের টার্গেট করা হয়েছিল, জেনে নিন তালিকা
প্রচারের মাঝে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করে গুলি। ফের ফিরে এলো মার্কিন ইতিহাসের কালো অধ্যায়। প্রেসিডেন্ট হত্যা করা বা তাঁদের টার্গেট করার ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও একাধিক মার্কিন প্রেসিডেন্টকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়েছিল।
আব্রহাম লিঙ্কন থেকে জন কেনেডি তালিকাটা নেহাত কম নয়। মার্কিন ইতিহাসে ৪ জন প্রেসিডেন্টকে হত্যা করা হয়েছিল প্রকাশ্যে গুলি করে। সবার আগে যার নামটি প্রথমে আসে তিনি আব্রাহাম লিঙ্কন। যাঁর হাত ধরে স্বাধীন আমেরিকার ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল। সেই জনপ্রিয় নেতাকেও খুন হতে হয়েছিল।

১৯৬৫ সালের ১৪ এপ্রিল হত্যা করা হয়েছিল আব্রাহাম লিঙ্কনকে। আমেরিকার ১৬ তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন তিনি। ওয়াশিংটনে ফোর্ড থিয়েটারে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তাঁকে পিছন থেকে গুলি করে হত্যা করা। জন উইকস নামে এক ব্যক্তি তাঁকে গুলি করে। সেসময় লিঙ্কনের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীও ছিলেন। কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যই লিঙ্কনকে হত্যা করা হয়েছিল বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হয়। পরে হত্যাকারীকেও হত্যা করা হয়েছিল।
এরপরে আমেরিকার ২০ তম প্রেসিডেন্ট জেমস অ্যা গ্রাফিল্ডকেও খুন করা হয়েছিল। ১৮৮১ সালের ২ জুলাই তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়। নিউ ইংল্যান্ডে যাওয়ার জন্য ওয়াশিংটন স্টেশনে যাচ্ছিলেন তিনি। সেসময় তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়। চার্লস গুয়েতিউ নামে একজন তাঁকে গুলি করে হত্যা করে। একেবারে সামনে থেকে বুকে গুলি করা হয়েছিল তাঁকে।
এর পরে আমেরিকার ২৫ তম প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম ম্যাককেনলিকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি নিউইয়র্কের বাফেলোতে বক্তৃতা করছিলেন। সেসময় একেবারে সামনে থেকে তাঁর বুকে পর পর দুটি গুলি চালানো হয়। ১৯০১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তিনি মারা যান। দ্বিতীয়বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে বসার ৬ মাসের মধ্যেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল।
২৮ বছরের এক বেকার যুবক এই গুলি চালানোর ঘটনায় দোষী ছিলেন। তাঁকে ১৯০১ সালের ২৯ অক্টোবর প্রাণদণ্ড দেওয়া হয়। এরপরে হত্যা করা হয়েছিল আমেরিকার জনপ্রিয় তম প্রেসিডেন্ট জন কেনেডিকে। ১৯৬৩ সালের নভেম্বর মাসে ফার্স্ট লেডি জ্যাকলিন কেনেডিকে সঙ্গে নিয়ে আমেরিকার ডালাসে গিয়েছিলেন তিনি। তাঁর গাড়ি ডালাসের ডাউন টাউনের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় দূর থেকে রাইফেল তাক করে গুলি চালানো হয়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে কেনেডিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি। সঙ্গে সঙ্গে বিমানেই ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেন। লি হার্ভে ওসল্যান্ড নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে জেলে অন্য এক অপরাধী তাঁকে গুলি করে হত্যা করে।
ফ্র্যাঙ্কলিন ডি রোজভল্টকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু তিনি অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান। ১৯৩৩ সালে মিয়ামিতে একটি সভায় ঘটেছিল ঘটনাটি। আমেরিকার ৩৩ তম প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যানকেও গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। ১৯৫২ সালে ঘটেছিল ঘটনাটি।












Click it and Unblock the Notifications