অশান্তির আশঙ্কা বাড়িয়ে এবার ক্রুজ মিসাইল টেস্ট করল কিমের কোরিয়া

ক্রুজ মিসাইল টেস্ট করল উত্তর কোরিয়া। বরাবরই তাঁরা নানা কাজ করে থাকে যা অশান্তির বার্তা দেয়। এবার কিম জং উনের দেশ এমন এক ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষা করল যা অশান্তির বার্তাকে আরও স্পষ্ট করে।

ক্রুজ মিসাইল পরীক্ষা

ক্রুজ মিসাইল পরীক্ষা

বুধবার কিমের সেনা ক্রুজ মিসাইল পরীক্ষা করে। জানা গিয়েছে যে, পরমাণু অস্ত্র বহনের সক্ষম হয়য় এই ক্রুজ মিসাইল। এটি ২,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পথ অতিক্রম করতে সক্ষম। এই পরীক্ষার ফলে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অশান্তির কাল মেঘে ভরতি আশঙ্কা ফের বৃদ্ধি পেয়েছে তা বলা যায়।

কী বলছে সংবাদ মাধ্যম?

কী বলছে সংবাদ মাধ্যম?


বৃহস্পতিবার উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যম 'কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি' জানিয়েছে যে, "দু'টি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করা হয়েছে পরমাণু হামলার ক্ষমতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে। ক্ষেপণাস্ত্র দু'টি আঘাত হেনেছে সমুদ্রের উপর দিয়ে ২,০০০ কিলোমিটার আকাশপথ পাড়ি দিয়ে টার্গেট করা লক্ষ্যে। গত মাসে অর্থাৎ সেপ্টেম্বরে বেশ কতগুলি এমন মিসাইল টেস্ট করেছে তাঁরা। ওই মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই উত্তর কোরিয়া একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে পরীক্ষা করছে। জানা গিয়েছে যে আগেও যত এমন মিসাইল নিয়ে পরীক্ষা হয়েছে ততবার উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট স্বয়ং কিম জং উন ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষার সমস্ত তদারকি করেছেন পুরো প্রক্রিয়া। এবারও তার অন্যথা হয়নি। কিম ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষাও পর্যবেক্ষণ করেছেন এবারেও।

 অবাধ্য উত্তর কোরিয়া

অবাধ্য উত্তর কোরিয়া

শুধু সেপ্টেম্বরে নয় অবাধ্য উত্তর কোরিয়া চলতি মাসের গোড়ার দিকেও ছুঁড়েছিল মিসাইল। সেটি ছিল ব্যালিস্টিক মিসাইল। উত্তর কোরিয়া জাপানের ভূখণ্ডের উপর দিয়ে ওই ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুঁড়েছিল। জানা যায় ওটি মাঝারি দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম এক ব্যালিস্টিক মিসাইল ছিল। ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রশান্ত মহাসাগরে গিয়ে পড়েছিল। উত্তর-পূর্ব জাপান অতিক্রম করে সেটি গিয়ে পড়েছিল সাগরে। উত্তর দিয়েছিল আমেরিকা ও জাপান।

 পাল্টা উত্তর

পাল্টা উত্তর


জাপান সাগরে একটা নয় চার চারটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল বাইডেন ও বন্ধু রাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়া। ব্যালিস্টিক মিসাইল হল সেই ক্ষেপণাস্ত্র, যা সাধারণত একটি রকেট-চালিত স্ব-নির্দেশিত কৌশলগত-অস্ত্র ব্যবস্থা এবং যা একটি নিক্ষেপী গতিপথ অনুসরণ করে উৎক্ষেপণ স্থান থেকে পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যে বিস্ফোরক সরবরাহ করে। নিক্ষেপী ক্ষেপণাস্ত্র প্রচলিত উচ্চমাত্রার বিস্ফোরকের পাশাপাশি রাসায়নিক, জৈবিক বা পারমাণবিক অস্ত্র বহন করতে পারে। এগুলি ভূগর্ভস্থ নিক্ষেপ-কক্ষ (সাইলো) এবং ভ্রাম্যমাণ নিক্ষেপমঞ্চ ছাড়াও বিমান, জাহাজ এবং ডুবোজাহাজ থেকে উৎক্ষেপণ করা যেতে পারে। ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম রূপ ১৩তম শতাব্দীর রকেটের ব্যবহারের সাথে সম্পর্কিত। মিং চীনা নৌবাহিনী শত্রু জাহাজের বিরুদ্ধে নৌযুদ্ধে হু লং চু শুই নামে একটি নিক্ষেপী ক্ষেপণাস্ত্রের প্রাথমিক রূপ ব্যবহার করেছিল।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+