পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল সম্মানে ভূষিত 'ব্ল্যাকহোল টেলিস্কোপ'-এর এই ৩ আবিষ্কর্তা
এই ৩ মার্কিনি বিজ্ঞানী মাধ্যাকর্ষণ তরঙ্গ চিহ্নিতকারী 'লিগো' যন্ত্রটি আবিষ্কারে প্রসংশনীয় ভূমিকা পালন করেন।
পৃথিবী উৎপত্তির নিগুঢ় রহস্যের সন্ধানে অনেক দিন ধরেই নিরীক্ষণ চালাচ্ছে পদার্থবিদ্যা। আর এই রহস্য উন্মোচনে একদিন বড় অধ্যায় হল মাধ্যাকর্ষণ তরঙ্গ। এই তরঙ্গকে প্রথম চিহ্নিত করেন পদার্থ বিজ্ঞানী রেইনার উইস, ব্যারি সি বারিশ, কিপ এস থর্ন। আর এই বিজ্ঞানীদেরই ২০১৭ সালের পদার্থবিজ্ঞানে অবদানের জন্য নোবেল সম্মানে ভূষিত করা হল।

এই ৩ মার্কিনি বিজ্ঞানী মাধ্যাকর্ষণ তরঙ্গ চিহ্নিতকারী 'লিগো' যন্ত্রটি আবিষ্কারে প্রসংশনীয় ভূমিকা পালন করেন। উল্লেখ্য এরকম এক তরঙ্গের কথা বহু বছর আগে উল্লেখ করেছিলেন বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন। মনে করা হয়, ব্ল্যাকহোলগুলি এক অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে এলেই যে শক্তি উৎপাদন হয়, তাইই তৈরি করে মাধ্য়াকর্ষণ তরঙ্গ। সেই যুক্তিতে 'লিগো' একটি ব্ল্যাকহোল টেলিস্কোপ।
LIGO (Laser Interferometer Gravitational-Wave Observatory) a collaborative project with over 1,000 researchers from more than 20 countries. pic.twitter.com/dOjyKx2qUd
— The Nobel Prize (@NobelPrize) October 3, 2017
The waves came from a collision between two black holes. It took 1.3 billion years for the waves to arrive at the LIGO detector in the USA. pic.twitter.com/kg6vQbIm7t
— The Nobel Prize (@NobelPrize) October 3, 2017
২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের জন্য় মহাবিশ্বের মাধ্যাকর্ষণ তরঙ্গের সন্ধান মেলে। আর পৃথিবীর উৎপত্তি রহস্যের সূত্র একধাপ এগিয়ে যায়। মনে করা হয় এই তরঙ্গকে চিহ্নিতকরণের কাজ পদার্থবিজ্ঞানে একটি বড় দিক।












Click it and Unblock the Notifications