দক্ষিণ চিনে ভেঙে পড়া বিমান বোয়িং ৭৩৭–এ বেঁচে নেই কেউ, দাবি চিনের সংবাদমাধ্যমের
দক্ষিণ চিনে ভেঙে পড়া বিমান বোয়িং ৭৩৭–এ বেঁচে নেই কেউ, দাবি চিনের সংবাদমাধ্যমের
১৩২ জন যাত্রী নিয়ে সোমবার চিনের দক্ষিণ গুয়াংজু প্রদেশে ভেঙে পড়ে যাত্রীবাহী বিমান। চিনের সম্প্রচারকারী সিসিটিভি অনুযায়ী, চিনের পূর্বাঞ্চলীয় বিমানের বিক্ষিপ্ত ধ্বংসাবশেষে কোনও জীবিতদের পাওয়া যায়নি। কেউই বেঁচে নেই এই ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায়।

পাহাড়ের ওপর বিমান ভেঙে পড়ার ১৮ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার সকালে সিসিটিভির পক্ষ থেকে বলা হয়, 'ঘটনাস্থল থেকে বিমানের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গিয়েছে, কিন্তু এখনও পর্যন্ত, বিমানে যাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল তাঁদের কাউকে পাওয়া যায়নি।’ মঙ্গলবার সকালেও জীবিত কোনও যাত্রীকে খোঁজা ও উদ্ধারকাজ চলা সত্ত্বেও ১২৩ জন যাত্রী ও ৯ জন ক্রু সদস্যকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। চিনের বিদেশ মন্ত্রী ওয়াং গি বলেন, 'আমরা অনুসন্ধান এবং উদ্ধারের ব্যবস্থা করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করছি এবং বিমান চলাচলের নিরঙ্কুশ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করব।’
সোমবার দুপুরে দক্ষিণ গুয়াংজি প্রদেশে উঝৌও শহরের কাছে গ্রামীণ এলাকায় যাত্রীবাহী বিমানটি ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনার জেরে পাহাড়ে আগুন লেগে যায় বলে জানায় সংবাদ মাধ্যম সিসিটিভি। চিনেপ পূর্বাঞ্চলীয় বিমান বোয়িং ৭৩৭ কুনমিং থেকে গুয়াংজু–এর দিকে যাচ্ছিল। সোমবার দুপুর ১টা ১১ নাগাদ বিমানটি গন্তব্যের দিকে রওনা দেয়। ৩টে ৫ মিনিট নাগাদ বিমানটির অবতরণের কথা থাকলেও ২টো ২০ নাগাদ তা ভেঙে পড়ে পাহাড়ের গায়ে। তবে দুর্ঘটনার কারণ এখনও জানা যায়নি। বিমান সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ভেঙে পড়া বিমানটি ৬ বছরের পুরনো। জানা গিয়েছে, উঝুর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। বিমানটিতে মোট ১২৩ জন যাত্রী এবং পাইলট সহ মোট ৯ জন কর্মী ছিলেন। ইতিমধ্যে জরুরি ভিত্তিতে উদ্ধারকাজ চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিংপিং।












Click it and Unblock the Notifications