"পাকিস্তানকে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র নয়, শুধু রক্ষণাবেক্ষণ সহায়তা" স্পষ্ট বার্তা আমেরিকার
দক্ষিণ এশিয়ার আকাশে বাড়তে থাকা জল্পনা-কল্পনার মাঝেই স্পষ্ট বার্তা দিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, পাকিস্তানের জন্য কোনো নতুন ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের অনুমোদন দেওয়া হয়নি। উপরন্তু যে চুক্তির কথা সংবাদমাধ্যমে ঘুরছে, তা কেবলমাত্র অস্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণ ও খুচরো যন্ত্রপাতির সরবরাহ সংক্রান্ত।

দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, "এই সংশোধিত চুক্তির কোনো অংশই পাকিস্তানের জন্য নতুন 'অ্যাডভান্সড মিডিয়াম রেঞ্জ এয়ার টু এয়ার মিসাইল' সরবরাহের উদ্দেশ্যে নয়।" মার্কিন প্রতিরক্ষা ক্রয় ব্যবস্থায় এমন চুক্তি প্রকাশ সাধারণ রীতি বলেও স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, যাতে কোনো ভুল ব্যাখ্যা না হয়।
তবে দূতাবাসের বক্তব্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক উঠেছে এই চুক্তির আওতায় পাকিস্তান সহ কয়েকটি দেশকে রক্ষণাবেক্ষণ সহায়তা ও খুচরো যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হবে। ফলে অনেকেই ধারণা করছেন, এটি হয়তো পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের পুনর্গঠন বা পরিপূরণের উদ্যোগ হতে পারে।
এই ব্যাখ্যা যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ সম্প্রতি 'অপারেশন সিঁদুর' এর সময় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আকাশযুদ্ধে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। সেই প্রেক্ষিতেই পাকিস্তানের হাতে এ আই এম 120 , এ এম আর এ এ এম ক্ষেপণাস্ত্র পৌঁছানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। অনেক সংবাদমাধ্যমই দাবি করেছিল, এর ফলে পাকিস্তানের এফ 16 যুদ্ধবিমানের শক্তি আরও বৃদ্ধি পাবে, যা দক্ষিণ এশিয়ার আকাশযুদ্ধে ভারসাম্য বদলে দিতে পারে।
তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই স্পষ্টীকরণে সেই সব জল্পনার অবসান ঘটল। তারা জানিয়েছে, এই চুক্তি পুরোপুরি "রক্ষণাবেক্ষণ মূলক", নতুন কোনো সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা নয়। এতে বোঝা যায়, ওয়াশিংটন এখনো আঞ্চলিক সামরিক ভারসাম্যের বিষয়ে সংবেদনশীল অবস্থানই বজায় রাখছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, এই সংশোধিত চুক্তির মূল্য ৪১.৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি রে থিয়ন মিসাইলস অ্যান্ড ডিফেন্স সংস্থাকে দেওয়া হয়েছে এ এম আর এ এ এম সি-8 ও ডি-3 সংস্করণের উৎপাদন অব্যাহত রাখার জন্য। মোট চুক্তির পরিমাণ প্রায় ২.৫ বিলিয়ন ডলার, যার কাজ শেষ হবে ২০৩০ সালের মে মাস নাগাদ।
মার্কিন দূতাবাসের বক্তব্যে আরও বলা হয়েছে, পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তি ফরেন মিলেটারি সেলস কর্মসূচির একটি অংশ, যেখানে ৩০টিরও বেশি মিত্র দেশ রয়েছে। চুক্তিটি কেবল রক্ষণাবেক্ষণ ও যন্ত্রাংশ সরবরাহের উদ্দেশ্যেই, নতুন অস্ত্র বিক্রির নয় একথা আবারও জোর দিয়ে জানানো হয়েছে।
যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই ব্যাখ্যা স্পষ্ট করে দিচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ায় সামরিক ভারসাম্য রক্ষার প্রশ্নে তারা আপাতত সতর্ক পাশাপাশি পাকিস্তানের জন্য কোনো নতুন অস্ত্র বিক্রির পথে হাঁটছে না।
-
ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ চরমে, গত ২৪ ঘণ্টায় চারটি মার্কিন যুদ্ধবিমানে হামলা, নিখোঁজ চালক -
অধীর চৌধুরীর প্রচারে উত্তেজনা বহরমপুরে, কংগ্রেস-তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ -
মমতার হেলিকপ্টারের সামনে উড়ল রহস্যময় ড্রোন, মালদহে উত্তেজনা -
শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন ঘিরে অশান্তির ঘটনায় ৩৮ জনকে তলব পুলিশের -
ভোটারদের সুবিধার্থে রাজ্যজুড়ে ৪,৬৬০টি নতুন বুথ তৈরির সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের -
ভবানীপুরে অশান্তির জেরে চার পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড নির্বাচন কমিশনের -
'বাংলাকে বৃদ্ধাশ্রম বানাতে দেব না', বাংলার ক্রীড়া পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে উন্নয়নের ডাক লিয়েন্ডার পেজের -
খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলীপ ঘোষের, সঙ্গী শুভেন্দু অধিকারী -
ইরান যুদ্ধের মাঝেই মাথায় হাত শাহবাজ শরিফের, এপ্রিলেই আমিরশাহীকে ৩৫০ কোটি ডলার ঋণ শোধ দিচ্ছে পাকিস্তান -
জ্বালানি সংকট! বাংলাদেশে অফিস ও দোকানের সময় কমানোর পাশাপাশি বিয়ের আলোকসজ্জাতেও বিধিনিষেধ -
বামফ্রন্টের ইস্তেহার প্রকাশ! বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, প্রতি পরিবারে স্থায়ী চাকরি সহ একাধিক প্রতিশ্রুতির ঘোষণা বিমান বসুর -
অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: এনডিএ-র বিরাট জয়ের ইঙ্গিত নতুন জনমত সমীক্ষায়











Click it and Unblock the Notifications