লাদাখে যে এলাকায় ব্রিজ হয়েছে তা চিন ছয় দশক দখল করে রেখেছে, এক ঢিলে দুই পাখি মারল কেন্দ্র
গালওয়ান উপত্যকায় চিনা সেনারা ব্রিজ তৈরি করছে বলে ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। যা নিয়ে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারকে বিরোধীদের কড়া সমালোচনার মনের মুখে পড়তে হয়। সেই প্রেক্ষিতেই বিদেশমন্ত্রকের তরফে বিবৃতি জারি করা হল। এবং একই সঙ্গে জানিয়ে দেওয়া হল, গোটা ঘটনায় কেন্দ্র সরকারের কড়া নজর রয়েছে।

এদিন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বিবৃতি দিতে গিয়ে জানিয়েছেন, যে এলাকায় চিন ব্রিজ তৈরি করছে সেই জায়গা গত ৬০ বছর ধরে অবৈধভাবে প্রতিবেশী চিন অধিগ্রহণ করে রেখেছে। ভারত সরকার নিজেদের স্বার্থ সুরক্ষিত করার সবরকম প্রচেষ্টার জারি রেখেছে। অর্থাৎ এক কথায় বিদেশ মন্ত্রকের তরফ স্পষ্ট করে দেওয়া হল যে, ভারতের কোনও এলাকায় চিন কোনও ব্রিজ তৈরি করেনি।
গত সোমবার একটি উপগ্রহ চিত্র সামনে আসে যেখানে দেখা যায় যে প্যাংগং লেকের কাছে পূর্ব লাদাখের সীমান্ত এলাকায় চিন একটি ব্রিজ তৈরি করছে। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে যায়।
তবে জানা গিয়েছে, গালওয়ান উপত্যকায় সীমান্তের ওপারে চিনের দিকে এই ধরনের ঘটনা সম্ভবত ঘটেছে। ভারতের দিকে ঘটেনি। এছাড়াও ২০২০ সালের জুন মাসের মাঝামাঝি নাগাদ ভারত এবং চিনের মধ্যে গালওয়ানে সংঘর্ষ হয়েছিল। তারপর থেকে সীমান্তে একটি বাফার জোন তৈরি করা হয়েছে। যার দুদিকে দুই দেশের সেনা অবস্থান করে।
বিদেশ মন্ত্রকের তরফে মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি জানিয়েছেন যে, গত সাত বছরে ভারত সরকারের তরফে চিন সীমান্ত এলাকায় সুরক্ষার খাতিরে অনেক বেশি সীমান্ত পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দেওয়া হয়েছে। এবং আগের থেকে অনেক বেশি রাস্তা এবং ব্রিজ সরকারের তরফে বানানো হয়েছে। এর ফলে স্থানীয়দের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর যাতায়াতে অনেক সুবিধা হয়েছে।
কখনো চিন অরুণাচল প্রদেশের কিছু এলাকার নাম বদলে দেওয়ার চেষ্টা করেছে, কখনও তিব্বতের অনুষ্ঠানে ভারতের সাংসদদের যোগদান নিয়ে সমালোচনায় সরব হয়েছে। এই সমস্ত ঘটনা উল্লেখ করে ফের একবার চিনকে সতর্ক করে দিয়েছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ। অযথা অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করে চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে যেন বিষিয়ে না দেয়, ভারতের তরফে সেই আবেদনই বারবার করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications