হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল আস্ত একটা স্কুল, চাপা পড়ে প্রাণ গেল ২২ পড়ুয়ার
স্কুলে পড়াশোনা করছিলেন তাঁরা। ক্লাস চলার মাঝেই হঠাৎ করে স্কুলের দোতলা বিল্ডিং হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে স্কুল বাড়িটি। ঘটনাস্থলেই ২২ জন পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে। প্রায় ১০০ জন পড়ুয়া ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
অনেকেই গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়। সেখানেই অনেক পড়ুয়া মারা গিয়েছেন। দুর্বল ভিত এবং নির্মাণের কারণেই এই দুর্ঘটনা বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। নাইজেরিয়া সরকার মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে। সরকারের তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে নদীর ধারে দুর্বল জায়গায় স্কুলটি তৈরি করা হয়েছিল। এবং তার নির্মাণও সঠিক বা মজবুত ছিল না। সেকারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

স্কুলটি ভেঙে পড়ার পরে প্রথমে স্থানীয়রাই উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারাই পড়ুয়াদের উদ্ধার করে পিঠে করে নিয়ে যাচ্ছিল ঘটনাস্থলের দিকে। ইতিমধ্যেই নির্মাণকারী সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়ে গিয়েছে। যদিও বাড়ি ভেঙে পড়া এখন নাইজেরিয়ায় সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁডিয়েছে। প্রতিদিনই কোনও না কোনও দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে।
আফ্রিকার অন্যতম বড় দেশ নাইজেরিয়া। গত ২ বছর ধরে নাইজেরিয়ায় একের পর এক বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটতে দেখা গিয়েছে। বাড়ি তৈরির সুরক্ষা বিধি না মেনেই এই সব বাড়ি তৈরি করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন নির্মাণকারী সংস্থা দুর্নীতি করার জন্য নিম্নমানের সামগ্রি দিয়ে এগুলি তৈরি করছে বলে অভিযোগ করেছে সরকার।
এদিকে একের পর এক ঘটনা ঘটে গেলেও কেন সরকার কড়া পদক্ষেপ করছে না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিয়েছে। সরকার একের পর এক ঘটনা ঘটে চলেছে। প্রাণ যাচ্ছে মানুষের। এমনকী পড়ুয়াদেরও প্রাণ গেল। তারপরেও কেন সরকার নির্মাণকারী সংস্থা গুলির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করছে না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।












Click it and Unblock the Notifications