শীতে সৌন্দর্যের নায়াগ্রা ফলস, জলপ্রপাত জমে যা হয়
গ্রীষ্মের জমজমাট আনন্দময় সময়ে অনেকেই আসেন, কিন্তু শীতের ফলস কেমন দেখতে লাগে, তা হয়ত অনেকেই জানেন না। প্রতি বছরেই শীতকালে কিছুটা ভিন্ন অবস্থায় দেখা যায় নায়াগ্রা জলপ্রপাতকে।

প্রতিবছরের শুরুতেই বরফ জমতে শুরু করে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলপ্রপাতের আশপাশে। যে গাছগুলো ঘন পাতায় আবৃত তাকে, সেই গাছগুলোর পাতার জায়গায় থাকে বরফের স্তুপ। এবছরে আমেরিকা ও কানাডায় তীব্র শীতের কারণে দেখা যাচ্ছে অন্যরকমের দৃশ্য। নায়াগ্রা জলপ্রপাতের কানাডার অংশ জমে গিয়েছে বেশ খানিকটা। ইরি লেকের জল গড়িয়ে পড়ে নায়াগ্রা ফলস। ওপরের ছবিতে নদীর যে অংশ দেখা যাচ্ছে, সেখানে জলের গভীরতা খুব বেশি নয়। গাছ পাথর সব আছে। আছে বরফের ভাষ্কর্যও।
দেখে মনে হয় হাঁটুর সমান জল হবে। অনেকেরই ইচ্ছা হয় হেঁটে বেড়াতে। কিন্তু প্রচণ্ড স্রোত। শান্ত নদীর জল হঠাৎই নমে যায় অনেক নিচে। সে স্রোত কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
নায়াগ্রা ফলসের এই শীতকালীন ওন্ডারল্যান্ড দেখতে তীব্র শীত উপেক্ষা করেই পাড়ি জমাচ্ছেন বহু পর্যটক। অদ্ভুত সৌন্দর্য ক্যামেরাবন্দী করে রাখার জন্য ভিড় জমাচ্ছেন ফটোগ্রাফাররাও। শুধু নায়গ্রা ফলসই নয়, আশপাশের জায়গাগুলোও কম যায় না। বেশ কিছু জায়গায় হাইকিং করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা থাকার পরেও ভিন্ন রূপে সেজে ওঠা নায়াগ্রা দেখতে অসংখ্য মানুষ ভিড় করেছেন সেখানে।
দর্শনার্থীরাও জানিয়েছেন তাদের অভিজ্ঞতার কথা। গ্রীষ্মের সময়ের থেকে শীতের সময়ের যে চিত্র তাঁরা দেখেছেন, তা সত্যি অবিশ্বাস্য।
ঝরনার জল জমতে না পারলেও, নদীর জল জমে গিয়েছে। সেখানে এখনও তুষারপাত হবে বলে অনুমান আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের।
সারা দিন, সারা বছর জুড়ে জল নেমে যাচ্ছে বিরামহীন ভাবে। গ্রীষ্মকালে জলের রঙ থাকে সবুজ এবং হালকা। অসংখ্যা নাম না জানা পাখি ঘুরে বেরায়। শীতের জল ঘন এবং সাদা। স্রোতের টানে ভেসে যায় হিমবাহও।












Click it and Unblock the Notifications