Bangladeshi Media: শুধুই বিষোদ্গার! হিন্দুদের উপর অত্যাচারকে কীভাবে দেখানো হচ্ছে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে?
Bangladesh Media: বাংলাদেশে সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনকে ঢাল করে যে আসলে সরকার বিরোধী আন্দোলন চলেছে তা বোঝা গিয়েছিল আগেই। সরকারে পালাবদল হলেও রক্তস্রোত বইছেই। শান্তিতে নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনূস (Muhammad Yunus) সরকার গড়তেই অশান্তি নেমে এসেছে সংখ্যালঘুদের উপর। বাংলাদেশের কোনায় কোনায় অকথ্য অত্যাচার চলছে হিন্দুদের উপর। অথচ, বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে তার উল্লেখটুকুও নেই।
গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনে বাংলাদেশের একাধিক প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমের কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধে নবতম সংযোজন মহিলা সাংবাদিকের হেনস্থা (Journalist Hackled)। হিন্দু সাংবাদিক মুন্নি সাহাকে ঘিরে ধরে ভারত বিরোধী স্লোগান (Anti India Slogan) দেওয়া হয় ঢাকায়। গ্রেফতারও হন তিনি। এতকিছুর পরেও বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের খবরের লেশমাত্রও নেই।

হিন্দু বিদ্বেষ, ভারত বিদ্বেষ, হাসিনা বিদ্বেষের বিষোদ্গার হচ্ছে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে। আসলে যে সংবাদমাধ্যমের উপর ইউনূসের সরকারই ছড়ি ঘোরাচ্ছে তা উপদেষ্টাদের মন্তব্যেই স্পষ্ট। বাংলাদেশ নিয়ে নাকি ভারতের সংবাদমাধ্যমে মিথ্যে প্রচার চলছে বলে দাবি ইউনূসের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার।
শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) ভারতে থাকায় নাকি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে উসকানি দিতে উগ্রবাদীরা উৎসাহ পাচ্ছেন, এমনটাই দাবি অপর এক উপদেষ্টা জয়নুল আবেদিন ফারুকের। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম জুড়েও শুধু ভারত বিরোধী এই বক্তব্যগুলিই সম্প্রচার করা হচ্ছে। সত্যি দেখাতে কি তবে ভয় পাচ্ছেন ইউনূস?
শেখ হাসিনার বক্তব্য সম্প্রচারে বৃহস্পতিবার নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে বাংলাদেশে। শেখ হাসিনার বক্তব্য বিদ্বেষমূলক বলে অভিযোগ তাদের। বক্তব্য সরাতে সোশ্যাল মিডিয়াকেও আর্জি জানাবে বাংলাদেশের টেলি যোগাযোগ দফতর। ভারতের দিকে দিকে প্রতিবাদ নাকি রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে করা হচ্ছে বলেও দাবি বাংলাদেশ সরকারের। হিন্দুদের উপর নির্যাতন না থামিয়ে উল্টে ভারতকেই দোষারোপে উঠেপড়ে লেগেছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে দেখানো হচ্ছে ভারতীয় পণ্য পুড়িয়ে দেওয়ার ছবিও। প্রেসক্লাবে স্ত্রীয়ের ভারতীয় শাড়ি এনে পুড়িয়ে দিচ্ছেন বিএনপির মহাসচিব রিজভী। তাঁকে বলতেও শোনা যায়, "ভারতের থেকে পেঁয়াজ মরিচের ঝাঁঝ অনেক বেশি। দরকারে ছাদের উপর পেঁয়াজ, মরিচ চাষ হবে।"
বাংলাদেশে আর কখনও ভারত আধিপত্য রাখতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রদের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লা। ইসকনপন্থীদের বাধায় নাকি বাণিজ্য ব্যাহত হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের। কর্নেল আলি বলেন, "ভারতের উচিত বাংলাদেশে কোনও দালাল সৃষ্টি না করা।"
বাংলাদেশকে ঘুরে দাঁড়ানো থেকে কেউ আটকাতে পারবে না বলে দাবি তুলছেন উপদেষ্টারা। কিন্তু হিন্দুদের উপর অত্যাচার কি ঘুরে দাঁড়ানোর নমুনা? সত্যিই ঘুরে দাঁড়াতে চায় বাংলাদেশ, নাকি ইসলামিক রাষ্ট্র করাই মূল মন্ত্র?
-
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা? -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব! শিল্পে ধাক্কা, একলাফে বাড়ল ডিজেলের দাম, কত হল? জানুন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব












Click it and Unblock the Notifications