শুধু মারণ ক্ষমতায় নয় নামেও স্বতন্ত্র ওমিক্রন
প্রথমে শুধুমাত্র আফ্রিকার দক্ষিণাংশের দেশগুলিতে দেখা গেছিল। তবে এখন ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে কোভিডের নয়া স্ট্রেন। সম্প্রতি মারণ ভাইরাসের নয়া ভ্যারিয়েন্ট বি.১.১.৫২৯ এর নামকরণও করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা৷ আর এই নামকরণেই হু-এর মুন্সিয়ানা খুঁজে পাচ্ছে ওয়াকিবহাল মহল।

প্যাটার্ন ভাঙল WHO
সাধারণত গ্রিক বর্ণের নামানুযায়ী ভ্যারিয়েন্টগুলির নামকরণ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এর আগে আলফা, বিটা, গামা ভ্যারিয়েন্টের নামকরণও ওভাবেই করা হয়েছিল। এতদিন দেখা যাচ্ছিল, পর পর নামকরণ করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সেই ধারা অনুযায়ী পরবর্তী দুই বর্ণ ছিল 'এনইউ'' এবং 'শি'। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই দুই বর্ণের নামে ভ্যারিয়েন্টের নামকরণ না করে সরাসরি নয়া স্ট্রেনের নাম দিয়েছে 'ওমিক্রন'।

কী বলছেন অতিমারি বিশেষজ্ঞ?
অতিমারি বিশেষজ্ঞ মার্টিন কুলড্রপের মতে, 'এনইউ' নিয়ে কোনও সমস্যাই নেই হু-এর। কিন্তু ভবিষ্যতে সমস্যা হতে পারত স্ট্রেনের নাম 'শি' রাখলে। ভবিষ্যতে যাতে সেই সম্ভাবনা আর না উদয় হয়, তাই শি এর পাশাপাশি এনইউ দিয়েও নামকরণ করেনি হু।

চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং!
আর কে না জানে, বর্তমানে চিনের প্রেসিডেন্টের নাম শি জিনপিং। এমনিতেই বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমণের জন্য প্রথম থেকেই দায়ী করা হয়েছে চিনকে৷ সেই দেশের ইউহান প্রদেশ থেকেই প্রথম করোনা ছড়িয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷ তাই বিড়ম্বনা এড়াতেই যে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে হু, এমনটা অনেকেই মনে করছেন৷ দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সাংবাদিক বেন জিমার যেমন ট্যুইট করেছেন। তিনি লেখেন, 'এনইউ এবং শি-কে টপকে সরাসরি ওমিক্রন বর্ণটি দিয়ে নয়া স্ট্রেনের নামকরণের জন্য হু-কে অভিনন্দন।'

কী বলছেন সাংবাদিক পল নিকি?
দ্য টেলিগ্রাফের অভিজ্ঞ সাংবাদিক পল নিকিও এই সম্ভাবনাতেই শিলমোহর দিয়েছেন৷ ট্যুইটারে তিনি লেখেন, 'সূত্রের খবর, চিনা প্রেসিডেন্টের নাম এড়াতে ইচ্ছাকৃতভাবেই এনইউ এবং শি দিয়ে নামকরণ করা হয়নি।' যদিও এই বিষয়ে এখনও মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। একটি সর্বভারতীয় বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যম তাঁদের এই বিষয়ে প্রশ্ন করলে কোনওরকম প্রতিক্রিয়া মেলেনি।












Click it and Unblock the Notifications