ব্যাপক বিক্ষোভে মাথা নত করলেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু! প্রশ্নের মুখে প্রধানমন্ত্রীর নয়া ব্যবস্থা
ব্যাপক বিক্ষোভের মধ্যে পড়ে বিতর্কিত বিচার সংক্রান্ত আইনের সংস্কার সিদ্ধান্ত স্থগিত করলেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ইতিমমধ্যে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী এই সংক্রান্ত সহমতি দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে ফের একবার ভেবে দেখারও কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। যদিও এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে তিনি কোনও মুখ খোলেননি। তবে এই ইস্যুটিকে সামনে রেখে গত এক সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভ চলছে ইজরায়েলে। বর্তমানে সেই বিক্ষোভে একাধিক শ্রম সংগঠনগুলিও সামিল হয়েছেন।

সংসদে আলোচনা করা হবে
প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বিতর্কিত এই আইন নিয়ে সংসদের আগামী বৈঠকে আলোচনা হবে। আর সেই সময়ে নেতানিয়াহুকে আবারও জোটে যুক্ত দলগুলোর বিরোধিতার মুখে পড়তে হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে এর আগে তাঁর দলের তরফে বিতর্কিত আইনকে অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু যে ভাবে পরিস্থতি হাতের বাইরে যাচ্ছে তাতে রিতিমত ইউ-টার্ন নিতে বাধ্য হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। আগামী সপ্তাহে ছুটি থাকবে সংসদ। এই অবস্থায় ইতিমধ্যে বিরোধীদের তরফে সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলনের কথা বলা হয়েছে।

প্রশ্নের মুখে পড়েছে দেশের সুরক্ষা
ইজরায়েলে বিতর্কিত আইনের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে পথে নেমেছে রিজার্ভ সেনাও। তাঁরা ডিউটিতে জয়েন না করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এই অবস্থায় ক্রমশ প্রশ্নের মুখে পড়ছে ইজরায়েলের সুরক্ষা ব্যবস্থা। বিভিন্ন ইজরায়েলি দূতাবাসও জরুরি কাজ ছাড়া অন্য সব কাজ থেকে দূরে থাকার ঘোষণা করেছে। দূতাবাসগুলির ওয়েবসাইটেও এই সংক্রান্ত তথ্য ভেসে আসছে তা খুললেই। এমনকি ইজয়ায়েলের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতেও প্রশ্নের মুখে পড়েছে পড়াশুনা। বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পড়াচ্ছেন না অধ্যাপকরা। এমনকি একাধিক হাসপাতালে ধর্মঘট ডাক দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

দেশের গণতন্ত্র মুখ থুবড়ে পড়বে বলে আশঙ্কা
আন্দোলনরত মানুষদের মতে, সরকার বিচার ব্যবস্থাতে যে পরিবর্তন করছে তাতে সে দেশের গণতন্ত্র মুখ থুবড়ে পড়বে। নেতানিয়াহুর প্রবল সমর্থকরাও প্রধানমন্ত্রীর এহেন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পথে নেমেছে বলে জানা গিয়েছে। নয়া এই ব্যবস্থার মাধ্যমে শুধু দেশের গণতন্ত্র নয়, বিচার বিভাগকেও দুর্বল করতে চায় বলে দাবি আন্দোলনকারীদের। এমনকি নয়া এই ব্যবস্থার মাধ্যমের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু একটু সুরক্ষা কবচ পেয়ে যাবে বলেও দাবি করা হচ্ছে। কারণ তাঁর নামে একাধিক দুর্নীতির মামলা রয়েছে। সেগুলিকে আড়াল করতেই এহেন ব্যবস্থা বলে মনে করছেন আন্দোলনকারীরা।












Click it and Unblock the Notifications