Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

নেপালে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসাবে সুশীলাকে পছন্দ জেন জি-র, কোনপথে ফিরবে শান্তি?

নেপালের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে Gen Z-এর পছন্দের শীর্ষে রয়েছেন সেদেশের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকি। সারা দেশ থেকে পাঁচ হাজারের বেশি তরুণ-তরুণী একটি ভার্চুয়াল সভার মাধ্যমে তাঁকে সমর্থন জানিয়েছেন।

৭২ বছর বয়সী সুশীলা কারকি নেপালের ইতিহাসে প্রথম নারী যিনি প্রধান বিচারপতি হয়েছেন। শুরুতে কাঠমান্ডুর মেয়র বালেন শাহকে অনেকেই পছন্দের প্রার্থী মনে করলেও, জেন জি-র প্রতিনিধিরা জানান, বারবার চেষ্টা করেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।

নেপালের গণমাধ্যমকে একজন জেন জি প্রতিনিধি বলেন, "তিনি আমাদের ফোন না ধরায় আলোচনার মোড় ঘুরে যায় অন্য নামের দিকে। সবচেয়ে বেশি সমর্থন পেয়েছেন সুশীলা কারকি।" কারকিকে এই প্রস্তাব দেওয়া হলে তিনি কমপক্ষে ১ হাজার লিখিত সই চান।

কারকি মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হলেও, ভার্চুয়াল সভায় আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নাম নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথোরিটির প্রধান কুলমান ঘিসিং, যুবনেতা সাগর ঢাকাল এবং ধরান মেয়র হরকা সম্পাং।

ইউটিউবার নেপালিও বেশ সমর্থন পেয়েছেন। তবে তিনি জানিয়েছেন, অন্য কেউ পদটি গ্রহণ না করলে তবেই তিনি এগিয়ে আসবেন। তবে এখনও অনেক পথ বাকি। নেপালের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সুশীলা কারকি প্রস্তাবটি গ্রহণ করলে প্রথমে তিনি সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেলের সঙ্গে দেখা করবেন, এরপর রাষ্ট্রপতি রাম চন্দ্র পউডেলের অনুমোদন চাইবেন।

দুর্নীতি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা জারির বিরুদ্ধে যুবদের নেতৃত্বে হিংস্র বিক্ষোভ শুরু হয়, যেখানে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। বিক্ষোভকারীরা সোমবার নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে সংসদ ভবন, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন, দলীয় সদর দফতর এবং বরিষ্ঠ নেতাদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবার স্ত্রী, বিদেশমন্ত্রী ড. আরজু রানা দেউবার কাঠমান্ডুর বাসভবনে বিক্ষোভকারীরা হামলা চালালে তিনি আক্রান্ত হন। প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির সরকারের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান ক্ষোভের জেরে ব্যাপক অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা ঘটেছে।

সুশীলা কারকি নেপালের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি হিসেবে পরিচিত। তাঁকে ২০১৬ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী ভান্ডারী, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির নেতৃত্বাধীন সাংবিধানিক পরিষদের সুপারিশে এই পদে নিয়োগ দেন।

বিচার বিভাগে যোগদানের আগে কারকি একজন শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০৬ সালের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি এবং ২০০৯ সালে সুপ্রিম কোর্টের অ্যাড-হক বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন, যা পরের বছর স্থায়ী হয়। ২০১৬ সালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণের আগে স্বল্প সময়ের জন্য ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+