ভেঙে পড়ল ওলির শাসন, মধ্যরাতেই নেপালে সংসদ ভাঙলেন রাষ্ট্রপতি ভাণ্ডারী
ভেঙে পড়ল ওলির শাসন, মধ্যরাতেই নেপালে সংসদ ভাঙলেন রাষ্ট্রপতি ভাণ্ডারী
নেপালে তুঙ্গে রাজনৈিতক সংকট। রাতারাতি সংসদ ভেঙে দিলেন রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভাণ্ডারী। সংসদ ভাঙার সঙ্গে সঙ্গে নভেম্বর মাসে নির্বাচন ঘোষণা করেছেন তিনি। গত বছর থেকেই ওলি সরকারকে নিয়ে তীব্র টানাপোড়েন শুরু হয়েছিল। ওলিকে প্রধানমন্ত্রী পদে রাখতে নারাজ ছিলেন প্রচণ্ড। এই নিয়ে দীর্ঘ টানা পোড়েন চলছিল। তারপরেই ওলি সরকারের আস্থাভোট দাবি করা হয়। তাতে পরাজিত হন ওলি।

নেপালে ওলি সরকারের পতন
অবশেষে পতন হল ওলি সরকারের। আস্থা ভোেট জিততে পারলেন না ওলি। গত এক বছর ধরেই নিজের জনপ্রিয়তা হারাতে শুরু করেছিলেন তিনি। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উত্তজনা তৈরি করেছিলেন ওলি। চিনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাত শুরু করেছিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী। দীর্ঘ সময় নেপালের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ ছিল।

আস্থা ভোটে হার ওলির
গত বছর থেকেই ওলি সরকারের বিরুদ্ধে জোট বাধতে শুরু করেছিল বিরোধীরা। তারপরেই আস্থা ভোটের দাবি জানানো হয়। তাতে পরাজিত হয়েছিলেন ওলি। তারপর থেকেই বিরোধীরা সরকার গড়ার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিল। কিন্তু রাষ্ট্রপতির দেওয়া সময়সীমায় সেটা করে উঠতে পারেননি তাঁরা। তারপরেই রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভাণ্ডারী সংসদ ভেঙে দিয়ে নতুন সরকার গড়ার জন্য নির্বাচন ঘোষণা করেন।

বিরোধীদের সমীকরণ
আস্থা ভোটে ওলির হারের পর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়েছিলেন নেপাল কংগ্রেসের শেরবাহাদুর দেউবা। কিন্তু তিনিও সংখ্যা গরিষ্ঠতা প্রমাণে ব্যর্থ হন। তাই আপাতত ওলিই কেয়ারটেকার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাজ করবেন। অন্যদিকে আবার রাজনৈতির সমীকরণ বলছে রাষ্ট্রপতি নিজের পদ বাঁচাতেই তড়িঘড়ি সংসদ ভেঙে দেওয়ার পদক্ষেপ করেছেন। কারণ বিরোধী দলগুলি রাষ্ট্রপতিকে ইম্পিচমেন্ট করার ছক কষছিল।

নভেম্বরে ভোট
রাতারাতি সংসদ ভেঙে দিয়েই নভেম্বরে নির্বাচন ঘোষণা করেছেন রাষ্ট্রপতি। নভেম্বরের ১২ থেকে ১৮ তারিখের মধ্যে ভোট শেষ করে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া সেরে ফেলতে হবে রাজনৈতিক দলগুলিকে। এদিকে ওলির ভারত বিরোধিতার জেরে প্রচণ্ডের বিরুদ্ধে এক বিরোধী শক্তি মাথা চারা দিয়েছে কমিউনিস্ট দলে। ওলিকে আর প্রধানমন্ত্রী পদে বসাতে চাইছেন না প্রচণ্ড।












Click it and Unblock the Notifications