নেপালে থাবা আরও পোক্ত করতে শুরু করল চিন! ফের রাস্তা নির্মাণ সংক্রান্ত বিষয় দিল্লির স্ক্যানারে
আগেই নেপাল ও আফগানিস্তানের জন্য চিন বার্তা দিয়ে জানিয়েছিল 'পাকিস্তানের মতো হও'। আর পাকিস্তানের অর্থনীতি যেভাবে ধীরে ধীরে চিনের হাতের মুঠোর পুতুল হয়ে যাচ্ছে, কার্যত সেই একইভাবে নেপালকেও গ্রাস করতে শুরু করে দিয়েছে চিন। এবার সেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে ১২ অগাস্ট উঠে এসেছে আরও বেশ কিছু তথ্য।

চিন-নেপাল কী জানিয়েছে?
চিন ও নেপাল এওক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, দ্বিপাক্ষিক সদ্ভাবকে তারা আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়। এলাকা ভিত্তিক বিষয়, ও বৈদেশিক নীতি, দুটি দিকেই একযোগে নেপাল ও চিন কাজ করতে চায়। 'একে অপরকে সমর্থন' যোগানোই এই দুটি দেশের পাখির চোখ বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

রাস্তা নির্মাণ , ভারতের নজর
দুই দেশ যে সমস্ত বিষয়গুলিতে সহমত পোষণ করেছে, তারমধ্যে রয়েছে 'চায়নাস বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ'। আর এই প্রজেক্টই দিল্লির স্ক্যানারে। এই প্রকল্পের আওতায় দুই দেশের রেল চলাচল নিয়ে বড় পদক্ষেপ আসতে পারে। যা নিয়ে সীমান্ত সংঘাতের আবহে দিল্লির কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ রাস্তা নির্মাণের নাম করে লাদাখ সীমান্তে চিন যেভাবে বিস্তারবাদে মেতে ওঠে, তারপর থেকে বেজিংকে সহজে বিশ্বাস করতে পারছে না দিল্লি।

আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা
এই নিয়ে চিন ও নেপালের মধ্যে ত্রয়োদশতম দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হয়েছে। সেখানে দুই দেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক নানার বিষয়ে সহযোগিতার কথা উঠে এসেছে।

নেপালের আনুগত্য
নেপালর তরফে 'ওয়ান চায়না পলিসি ও সাপোর্ট চায়না' নীতিকে সম্পূর্ণ সমর্থন জানানো হবে বলে খবর। এমনকি তাইওয়ান, তিব্বত ও হংকংয়ের ক্ষেত্রেও চিনকে যে অন্ধভাবে নেপাল সমর্থন করবে , তাও জানিয়ে রেখেছে কাঠমাণ্ডু।

এশিয়ায় ভারতকে কোণঠাসা করতে প্রক্রিয়াকরণ শুরু!
এশিয়ায় ট্রান্স হিমালয়ান মাল্টি ডায়মেনশনাল কানেক্টিভিটি -র হাত ধরে নেপালের সঙ্গে সম্পর্ক গাঢ় করেছে চিন। অন্যদিকে, পাকিস্তান-চায়না ইকোনমিক করিডরের হাত ধরে পাকিস্তানকে মুঠোয় রেখেছে বেজিং। এরমধ্যে এবার আফগানিস্তানকে জুড়ে নিয়ে ভারতকে কোণঠাসা করার চেষ্টায় বেজিং। যদিও আফগানিস্তানের সঙ্গে পাকিস্তানের সুসম্পর্ক না থাকায়, চিনের এই প্যাঁয়তারা আফগানের বুকে খুব একটা কাজে আসবে না বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications