Nepal Plane Crash: নেপালের বিমান দুর্ঘটনার নেপথ্যে লুকিয়ে রানওয়ে রহস্য
নেপালে পর পর বিমান দুর্ঘটনা কেন ঘটে। বারবার এই নিয়ে একাধিক মতামত রয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য মতামত সেটা হল ঝুঁকিপূর্ণ রানওয়ে। বিশেষ করে কাঠমান্ডু-পোখরা এই বিমানবন্দরগুলির রানওয়ে সবচেয়ে বিপজ্জনক বলে দাবি করা হয়েছে।
সেকারণে বারবার কাঠমান্ডু এবং পোখরা বিমানবন্দরে রানওয়ে সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক বলে দাবি করেছেন বিশেষজ্ঞরা। কাঠমান্ডু থেকে পোখরা বেশি বিমান চলাচল করে। কারণ পোখরায় বেশি পর্যটক যেতে চায়। সেকারণে যাঁরা নেপালে বেড়াতে আসেন তাঁরা কাঠমান্ডু থেকে পোখরা যান তাঁরা। সেকারণে যাঁরা কাঠমান্ডু -পোখরা রুটে যাঁরা বিমান চালান তাঁদের খুব বেশি প্রশিক্ষিত হতে হয়।

শুধু ঝুঁকি পূর্ণ রানওয়েই নয় নেপালের আবহাওয়াও একাধিক বিমান দুর্ঘটনার কারণ বলে দাবি করে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। একেবারে হিমালয়ের কোলে এই দেশ। সেকারণে অবহাওয়া একেবারেই ভাল থাকে না। কখনও মেঘ তো কখনও কুয়াশা আবার কখনও রোদ ঝলমলে আকাশ। বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ রয়েছে মাউন্ট এভারেস্ট। আবহাওয়া একেবারেই ভাল থাকে না সেখানে।
সেকারণে ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন তাদের কোনও বিমানই নেপালের আকাশ পথে উড়ানের অনুমোদন দেয় না। এক কথায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা রয়েছে নেপালের আকাশপথ ব্যবহারে। নেপালের অ্যাভিয়েশন বিভাগও অতটা সতর্ক নয়। এই বিমানবন্দরে অবতরণের জন্য দক্ষ পাইলটের প্রয়োজন হয়। কিন্তু নেপালে এখনও তেমন দক্ষ পাইলটের অভাব রয়েছে।
সেকারণে দক্ষ পাইলট ছাড়া নেপালে বিমান পাঠাতে চায় না কোনও দেশই। কাঠমান্ডুর এই বিমান দুর্ঘটনার নেপথ্যেও পাইলটের অদক্ষতা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৩ সালে বাংলাদেশের বিমান ভেঙে পড়ে প্রায় ৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications