বিপদ বাড়ছে, আরকান আর্মির দখলে 'স্ট্র্যাটেজিক' নৌঘাঁটিও! জবাব দিতে প্রস্তুত, বলছে বাংলাদেশ
Bangladesh-Myanmar Border: চিন্তা বাড়াচ্ছে মায়ানমার (Myanmar Conflict)! একের পর এক সীমান্ত দখল করছে সে দেশের বিদ্রোহী আরকান আর্মি (Arakan Army)। মায়ানমার আর্মির একাধিক দফতর ইতিমধ্যে দখল করে নিয়েছেন বিদ্রোহীরা। এবার তাদের টার্গেটে মায়ানমারের প্রশাসনিক এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্রে! আরাকান আর্মির যোদ্ধাদের দখলে এবার থান্ডওয়ে নৌঘাঁটিও।
মায়ানমারের প্রাক্তন রাজধানী তথা বাণিজ্য রাজধানী হিসাবে পরিচিত ইয়াঙ্গনের খুব কাছেই এই নৌঘাঁটি (Myanmar Navy Force)। সেটি এখন আরকান আর্মির (Arakan Army) দখলে আছে বলে জানা যাচ্ছে। এমনকি পার্শ্ববর্তী ইরাওয়াদি নদী সংলগ্ন গাওয়া শহরও ইতিমধ্যে আরকান আর্মির যোদ্ধার দখল করে নিয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে (Bangladesh-Myanmar Border)।

রণকৌশলগত ভাবে এই নৌঘাঁটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে গাওয়া থেকে একটি এলাকা ইয়াঙ্গনের দিকে চলে গিয়েছে অন্যদিকে রাজধানী নেপিডোর দিকেও একটি পথ চলে গিয়েছে। ফলে যে কোনও সময় রাজধানীও বিদ্রোহী যোদ্ধাদের হাতে চলে যেতে পারে মত বিশ্লেষকদের।
ফলে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিলের দিকে যাচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, মায়ানমারের জুন্টা সরকারকে যেভাবে বিদ্রোহী এই আরকান আর্মি নাড়া দিচ্ছে তাতে যে কোনও সময় সরকার পড়ে যেতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। এই অবস্থায় ইতিমধ্যে ভারতের তরফে নিরাপত্তা আঁটসাঁট করা হয়েছে। বাহিনী সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশও সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে বলেই খবর।
সেনাবাহিনীর পাশাপাশি কোস্ট গার্ডকে হাই অ্যালার্ট করা হয়েছে। আর এরপরেই আজ বুধবার কক্সবাজারের টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনে মায়ানমার সীমান্ত পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের আধিকারিক রিয়ার অ্যাডমিরাল জিয়াউল হক। নিরাপত্তা সহ একাধিক বিষয় নিয়ে সেখানকার আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
পরে বাংলাদেশের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জিয়াউল হক জানান, কক্সবাজারের টেকনাফ ও সেন্টমার্টিন মায়ানমার সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। দিন-রাত কোস্টগার্ড কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। তবে সে দেশে যেভাবে গোলাগুলি চলছে তাতে বাংলাদেশ সীমান্তে বসবাসকারী মানুষরা আতঙ্কিত বলে দাবি করেন বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ওই আধিকারিক। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফোর্স সম্পূর্ণ রেডি বলে এদিন জানিয়েছেন।
অন্যদিকে রোহিঙ্গা বড় একটা ইস্যু বর্তমান অবস্থায়। গত দুমাসে প্রায় ৬০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন উপদেষ্টা। সেখানে দাঁড়িয়ে এদিন কোস্ট গার্ডের আধিকারিক জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা যাতে না ঢুকতে পারে সেজন্য কড়া নজর রাখা হচ্ছে। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications