ইমরানের শপথে পাক সেনাপ্রধানের সঙ্গে কোলাকুলি সিধুর, বিতর্কিত সেই ভিডিও ভাইরাল

বন্ধু ইমরানের ডাকে সাড়া দিয়ে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে একদিন আগেই ইসলামাবাদে পৌঁছে গিয়েছিলেন সিধু। কিন্তু শুধু উপস্থিত থেকেই নয়, পাক সেনা প্রধানকে জড়িয়ে ধরে বিতর্কের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিলেন তিনি

বরাবরই বিতর্ক তাঁর সঙ্গী। এক্ষেত্রেও বিতর্ককে তোয়াক্কা করলেন না নভজ্যোৎ সিং সিধু। ভারতের অন্যান্য আমন্ত্রিতরা যখন বিতর্ক এড়াতে ইমরানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিতি এড়িয়ে গিয়েছেন, তখন বন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে একদিন আগেই ইসলামাবাদে পৌঁছে গিয়েছিলেন সিধু। কিন্তু শুধু উপস্থিত থেকেই নয়, পাক সেনা প্রধানকে জড়িয়ে ধরে বিতর্কের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিলেন তিনি। এমনকী তাঁর পাক অধিকৃত কাশ্মীরের প্রেসিডেন্টের পাশে বসা নিয়েও বিতর্ক হয় এদিন।

ইমরানের শপথে পাক সেনাপ্রধানকে জড়িয়ে ধরে বিতর্কে সিধু

একাধিক ঘটনা পরম্পরায় ফের বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার তথা কংগ্রেস নেতা নভজ্যোৎ সিং সিধু। শনিবার পাকিস্তানে ইমরান খানের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে খোশমেজাজেই ছিলেন। তিনি ভেদাভেদ ভুলে স্বভাবসিদ্ধভাবেই প্রত্যেকের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করেছেন। কিন্তু তাঁর উপস্থিতি থেকে আলাপচারিতায় ভারতে তৈরি হয়েছে তুমুল বিতর্ক।

এমনকী সিধুর পোস্টারে কালি ছিটিয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়। তাঁর ছবিতে করা হয় জুতোপেটা। পোস্টারে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় জুতোর মালা। যদিও সিধু এই সব ঘটনাকে পাত্তা না দিয়েই জানিয়ে দিয়েছেন, ইমরান থান আমার বন্ধু। বন্ধুর ডাকে সাড়া না দিয়ে থাকতে পারিনি। আমার বন্ধু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন, তাই আমি উপস্থিত হয়েছি। সেখানে গিয়ে সৌজন্য রক্ষার্থে যা করেছি, তাতে কিছু ভুল করিনি।

উল্লেখ্য, সিধুর পাকিস্তান রওনা দেওয়া থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত। পাকিস্তানকে বয়কট করা উচিত ছিল দাবি তোলা হয়েছে তাঁর সমালোচকদের তরফে। কিন্তু তা সত্ত্বেও সিধু পাকিস্তানে গিয়ে সঠিক কাজ করেনি। তারপর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি বসেছেন পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের প্রেসিডেন্ট মাসুদ খানের পাশে। আর তৃতীয় বিতর্ক হল তিনি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়ারকে জড়িয়ে ধরেছেন। তারপর তাঁর সঙ্গে আড্ডায় মেতেছেন। তাতেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

এদিন নীল শ্যুট আর গোলাপী পাগড়িতে ইমরান খানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আকর্ষণীয় উপস্থিতি ছিল সিধুর। ইসলামাবাদের প্রেসিডেন্ট হাউসে ছিল বিলাসবহুল আয়োজন। সকাল সাড়ে নটা নাগাদ কোরান পাঠের পর পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীত হয়। তারপরই ছাই রঙা শেরওয়ানিতে মঞ্চে ওঠেন ইমরান খান। নয়া দিগন্তের সূচনা হয় পাকিস্তানে। এক ক্রিকেটারের অভিষেক ঘটে পাকিস্তানের রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে।

সেইসময়ই সিধু বসেছিলেন মাসুদ খানের পাশে। তারপর পাকিস্তান সেনাপ্রধান আসতেই তাঁকে জড়িয়ে ধরেন সিধু। এরপর থেকেই ভারতে সমালোচনার পারদ চড়ে যায়। এ প্রসঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরের কংগ্রেস প্রধান গুলাম আহমেদ মীর বলেন, উনি একজন দায়িত্বজ্ঞানহীন মানুষ, একজন মন্ত্রী। কেন উনি এই ঘটনা ঘটালেন, তা উনিই ভালো বলতে পারবেন। তবে ইচ্ছা করলেই তিনি কোলাকুলি এড়াতে পারতেন।

সিধু জানান, আমি এখানে রাজনৈতিক নেতা হিসেবে আসিনি। এসেছি বন্ধু হিসেবে। এসেছি বন্ধুর খুশির ভাগীদার হতে। আমি ইমরান খানকে একটি কাশ্মীরি শাল উপহার দিয়েছি। উল্লেখ্য, এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ ছিল সুনীল গাভাসকার ও কপিল দেবের। তাঁরা ব্যক্তিগত কাজ থাকায় শেষ মুহূর্তে পাকিস্তান সফর বাতিল করেন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+