চন্দ্রযানের সঙ্গে সম্পর্কস্থাপনে উদ্যোগী হয়েছিল নাসাও
বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি নাসাও। বিপর্যয়ের পরের দিন থেকেই প্রাণপন চেষ্টা চালিয়েছে ইসরো। হাল ছাড়েননি বিজ্ঞানীরা। ইসরোকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েদিয়েছিল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোও।
বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি নাসাও। বিপর্যয়ের পরের দিন থেকেই প্রাণপন চেষ্টা চালিয়েছে ইসরো। হাল ছাড়েননি বিজ্ঞানীরা। ইসরোকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েদিয়েছিল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোও। বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য জেট প্রপুলসন ল্যাবরেটরি থেকে লাগাতার রেডিও সিগনাল পাঠিয়ে চলেছে তারা। ২০-২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই চেষ্টা তারা চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে। চাঁদে যখন সূর্যোদয় হয় তখনই সেখানে পৌঁছেছিল বিক্রম। এমনই জানিয়েছে ইসরোর বিজ্ঞানীরা।

বসে নেই ইসরোও বেঙ্গালুরুর মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র থেকে প্রতিমুহূর্তে বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। নাসার বিজ্ঞানীরাও হাল ছাড়তে নারাজ। তাঁরা দাবি করেছেন মহাকাশে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া মানেই সব শেষ হয়ে যাওয়া নয়। নাসারও একটি উপগ্রহ কোনও কারণে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলেছিল। পাঁচ বছর পর সেটি থেকে সিগনাল পায় নাসা। কাছেই বিক্রমের সঙ্গে এখন যোগাযোগ করা যাচ্ছে না মানেই যে আর যোগাযোগ করা যাবে না এটা ভেবে নেওয়া উচিত নয় বলে দাবি করেছে তারা।
তাই বিক্রমের আশা ছেড়ে দিতে নারাজ তারা। চলবে সংযোগ স্থাপনের প্রক্রিয়া। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত সাত সেপ্টেম্বর চাঁদে ২.১ কিলোমিটার কাছে পোঁছেই হঠাৎ করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বিক্রমে সঙ্গে। তারপর থেকে আর তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। যদিও ইসরো দাবি করেছে চাঁদেই অবতরণ করেছে বিক্রম।












Click it and Unblock the Notifications